Updates

Home » স্বাস্থ্য » সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর মন সাফল্যের চাবিকাঠি

আমাদের আয়ের সিংহভাগ খরচের তালিকায় চলে যায় বাড়ীভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও খাবারের যোগান দিতেই। এতে করে আমরা কোনটারই ঠিকমত কাজে লাগাতে পারছি না। ভাল বাড়ীতে থাকবো না ফ্লাটে থাকবো, না এমন ভাবে থাকবো যাতে করে আমার সব ধরণের খরচের সাথে আয়ের সম্পর্ক থাকে। কিন্তু হয়ে ওঠেনা, কারণে অকারণে। হয়ে ওঠেনা বাড়ী ভাড়া, যাতায়ত, বাজার দর, লেখাপড়া, চিকিৎসা খরচের কারণে। উপরের কোনটাই আপনার হাতে নেই যে আপনি ইচ্ছে করলেই কমাতে পারবেন। আপনি কমাতে পারবেন আপনার হাত খরচ আর বাজার খরচের লাগাম সুন্দর করে গুছিয়ে করতে পারেন। এতে আপনি চিকিৎসা বাবদ চিকিৎসার চিন্তা থেকে সত্তর ভাগ মুক্তি পেতে পারেন।
# সুস্থতায় বাঁচতে এবং শরীরের জন্য খেতে হবে। খাবারের মেনু যেন প্রতিদিন একই রকম না হয়। প্রতিদিন যেন খাবারের সময় ঠিক একই রকম হয় থাকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ্মাঝে মাঝে অনিয়ম হলেও সহনীয় পর্যায় থাকে তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ বিষয়ে পরিবারের সবাইকে গড়ে তুলতে হবে।
# যে সকল খাদ্যদ্রব্য আপনার শরীর ও মনের উপর বিক্রিয়া ঘটায় তা বর্জন করুন। মনে করুন ঐ সমস্ত খাদ্যদ্রব্য/ পানীয় আপনার জন্য বিষতুল্য, আপনার শরীর ও স্বাস্থের জন্য হারাম।
# সবার শরীরের কাঠামো, ধরণ, মন মানসিকতা এক রকম নয় তার মানে এই নয় যে তিনি বা সে হাতীর মত খাদ্য গ্রহণ করতে পারেন।
# স্বাভাবিক সাধারণ এবং খাবার নিয়ম করে গহণ করলে শরীরের উপর কোন চাপ পড়বে না, আপনার শরীর মাটি দ্বারা তৈরী সুতরাং আপনার ঐ সকল দ্রব্যাদীর দ্বারা তৈরী খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন, যে গুলির সম্পর্ক মাটির সাথেই বেশী। এবং সহজেই হজম হতে পারে, আর সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন সকল সময় পানি।
আপনার বয়স কি ৪৫ বৎসর পেরিয়েছে তা হলে খাবারের লাগাম এখনই টেনে ধরুন।
আমরা কিছু নিয়ম টিকা টিপ্পনি লিপিবদ্ধ কোরলাম, কিশোর বয়স থেকে শুরু করে বয়স্ক সবাই মেনে চললে অনেক দিক সাশ্রয় হব্।ে
[অ]
১. সকালে দু’গ্লাস সহনীয় গরম পানি বাসি মুখে, খালি পেটে পান করুন।
২. খাবারের সময় নয়, খাবারের ১৫/২০ মিনিট পর পানি পান করুন। অকারণে দাঁড়িয়ে পানি পান কোরবেন না।
৩ খাবারের সময় কাচাঁ মরিচ খাওয়ার অভ্যাস করুন। সালাদ রাখুন মেনুতে অথবা
৪. খাবার শেষে এক টুকরা কাঁচা পেঁপে খাওয়ারঅভ্যাস করুন।
৫. ভালভাবে চিবিয়ে খাবার গ্রহণ করুন।
৬. মুখে খাবার রেখে কথা বলবেন না।
৭. রাতে ৮থেকে ১০ টার পর এবং সকালে কোন ভারী খাবার খাবেন না। (রাতে চা বা কফি নয় )
৮. সপ্তাহে এক দিন সকাল-সন্ধ্যা উপবাস করুন। এসময় হালকা গরম পানি, কাঁচা শাক-শবজি পাতার রস পান করুন। শনি/মঙ্গলবার মাছ/ মাংস পরিহার করুন। চাঁদের ১৪/১৫ তারিখ রোজা রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৯. দুধ মেশানো চা বা কফি, ঠান্ডা পানি এবং পানীয়, ফাষ্ট ফুড, তৈলাক্ত খাবার ও অতিরিক্ত মশলা এবং ঝালযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
[আ]
# চা পানে আমরা সবাই অভ্যস্ত, দুধ ছাড়া রং চা পান করুন সাথে মসলা ব্যবহার করুন।( লেবু/আদা ) (তেজপাতা/আদা) (লবঙ্গ,এলাচ,দারুচিনি,তেজপাতা) (তুলসী পাতা,পুদিনা পাতা) এতে শরীরের রোগবালাই দূর করতে সহায়তা করবে।
# টেনশন থাকলে ডিম খাবেন না।
# প্রসেসড খাবার খাবেন না। (কম খাবার চেষ্টা করবেন।) ডায়েটে রাখুন ফাইবারযুক্ত খাবার।
# চিনি এড়িয়ে চলুন। প্রসেস চিনি ১৪২ রকমের রোগের কারণ। ফাস্টফুড ও হাই ফ্যাট ¯œ্যাকস এড়িয়ে চলুন।
# খিদে পেলে ( অসময়ে ) পানি পান করুন। গরুর দুধের চেয়ে দই বা ছানা খাওয়া ভাল। সব রকমের ডাল সপ্তাহে একদিন। যতটা পারেন প্রাকৃতিক খাবার এবং করলা/উচ্ছে/মেথি/নিম/পাট নিয়মিত ভাল। মাছ / মাংস সপ্তাহে দুদিন।
# বছরে একবার স্বাস্থ্য চেকআপ করিয়ে নিন।
# প্রাকৃতিক খাবার গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকবেন।
# ঠান্ডা গরম,গরম ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন।
# আঘাত পেলে তার যথাযথ চিকিৎসা করুন।
# বেশী করে ফলমূল গ্রহণ করুন (প্রাকৃতিক)
# মশলা,ভাজাভূজি এড়িয়ে চলুন। উপবাস / রোজা রাখার অভ্যাস করুন।
# চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নাক, চোখ, যে কোন ব্যাথার ওষুধ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
[ই]
# ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, দিনে ঘুমোবেন না। বেশী করে হাঁটুন, শরীরে চর্বি না জমে তার দিকে দৃষ্টি রাখুন।
# অসময়ে ভারী খাবার গ্রহণ করবেন না, আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। খাবার নির্বাচন করুন এমন ভাবে সহজেই হজম হতে সাহায্য করে, ভরপেট খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
# খাবার নির্বচন করুন তাতে যেন স্বাভাবিক গুণ বজায় থাকে বা আছে এমন খাবার। শিশুদের বেলায় এমন খাবার নির্বাচন করুণ যাতে তাদের স্বাভাবিক হজমের তারতম্য না ঘটে
# যাদের বয়স ৪৫ পার হয়েছে তাঁরা যদি কষ্ট করে মাছ / মাংসের দিকে বেশি না তাকান তাহলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না। খাবারের তালিকায় রাখুন, শাক, সবজি ফলমুল বেশী বেশী।
# যাদের বারে বারে চা পান করার অভ্যাস আছে তাঁরা খাবারের এক ঘন্টা আগে বা পরে চা পান করুন।
[ ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন,
প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধ করুন ]
# ২ চামচ কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ লেবু রস ও ১ চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন ৩/৪ বার পান করুন।
# ১ চামচ করে তুলসী পাতার রস প্রতিদিন ৩/৪ বার
# প্রতিদিন ২/১ বার আদা-দারুচিনি-লবঙ্গ দিয়ে চা পান করুন।
# তালমিশ্রি চুষে খেলেও উপকার পাবেন। ধোঁয়া, মসলার গন্ধ, ধুলোবালি থেকে নিজেকে দূরে রখুন।
[ঈ]
# অসময়ে খিদে পেলে হালকা বিস্কিট, মুড়ি শুকনো রুটি, সবজি খেতে পারেন। সব থেকে বড় ব্যায়াম হাঁটা, হাঁটুন আর হাঁটুন। নিয়ম করে। মোটা তো হবেনই না রোগ বালাই দূর হবে।
(প্রত্যেকের নিজের লাইফস্টাইল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা দরকার। কারণ আধুনিক জীবনের আদব কায়দা, গতিপ্রকৃতিই অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে বড় রোগের দিকে ঠেলে দেয়।)

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: