News Updates

Home » স্বাস্থ্য » চিনি – ১৪২ টি রোগের কারন

সাদা চিনি অতি স্বচ্ছ যে উপাদাকে আমরা চিনি বলে  জানি তা সম্পূর্ণ অ-প্রাকৃতিক একটি উপাদান যা আখ বা মিষ্টি বীট থেকে তৈরী হয়। শিল্প কারখানায় রিফাইনিং পদ্ধতিতে আখের রস থেকে চিনি (সুক্রোজ) কৈরী করার সময় ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, এনজাইম এবং অন্যান্য উপকারী পুষ্টি উপাদান দূর করা হয়।

কেন চিনি আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর? এর প্রধান কারণ হল এটি সম্পূর্ণ রাসায়নিক একটি উপাদান, (হেরোইন এর মতো ) এবং যখন রিফাইন করা হয় তখন সকল প্রকার প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান দূর হয়ে যায় যা সাভাবিক ভাবেই একটি গাছে থাকে। হেরোইন এবং চিনির রিফাইনিং একই রকম। হেরোইন তৈরির ক্ষেত্রে, প্রথমে পপি গাছের বীজ থেকে অপিয়মকে রিফাইন করে মরফিন এবং মরফিনকে পুনরায় রিফাইন করে হেরোইন তৈরি করা হয়।

আমরা জানি আখের থেকে গুড়, ( মোলাসেস)  তারপর বাদামি চিনি তারপর রিফাইন করে সাদা চিনি প্রস্তুত করা হয় যা মানব দেহের জন্য অনুপযোগী একটি রাসায়নিক উপাদান।

কেন চিনি ১৪২ টি রোগের কারণ ?

আমরা সকালে চা কফির সাথে এক চামচ চিনি মিশিয়ে খেয়ে থাকি। এই এক চামচ চিনি কি আমাদের প্রয়োজন? এই এক চামচ চিনির ক্ষতির দিকটা আমাদের চোখে পড়ে না, কারন মাত্রই তো এক চামচ চিনি।

চিনি বা মিষ্টি ক্ষতিকর রোগের অকৃতিম বন্ধু (গবেষনায় এবং বিভিন্ন গবেষণা মূলক চিকিৎসা জার্নালে প্রাপ্ত)। উল্লেখ ক্যানসার, ডায়াবেটিক, টিউমার, এরা চিনি পেলে খুশি থাকে, বর্ধিত হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করে।

সারাদিন  আমরা যে সমস্ত (প্রক্রিয়াজাত) খাবার খেয়ে থাকি তাতে চিনি এবং অন্যান্য কৃত্রিম মিষ্টি বিদ্যমান থাকে। আমরা ফল ফলাদি, শস্য, বাদাম  বিভিন্ন সবজী থেকেও দেহের জন্য প্রয়োজনীয় চিনি পেয়ে থাকি। কিন্তু আমরা মনে করি, এ সকল খাবারে আসলে কোন চিনি থাকে না এ কারণে আমরা অতিরিক্ত (রিফাইন্ড) চিনি যোগ করে থাকি। কিন্তু এ চিনি কতটা ক্ষতিকর তা আমাদের জানা নেই।

ব্লিচিং এবং সাফোনেশন পদ্ধতিতে চিনি রিফাইন্ড করা হয়ে থাকে সেখানে ব্যবহৃত হয় সালফার। সালফার একটি বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান এবং আমরা যখন চিনি বা চিনি জাতীয় যে কোন  মিষ্টি  দ্রব্য গ্রহণ করি তখন খুব অল্প পরিমানে এই বিষাক্ত উপাদান  আমাদের শরীরে  প্রবেশ করে। আমাদের  প্রতিদিনের খাবারে যে পরিমাণ শর্করা থাকে তা আমাদের দেহের তুলনায় বেশি।  প্রথমে  চিনি গ্লুকোজে রূপান্তিরত হয় এবং পরে দেহে শক্তি উৎপাদন করে। যখন দেহে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি চিনি গ্রহণ করা হয় তখন শারীরিক অসুবিধা দেখা দেয়। বর্তমানে বেশিরভাগ খাবারে প্রচুর পরিমানে চিনি  থাকে, যেমন  আইসক্রিম, কেক, পেস্টি, কার্বেনেটেড  বেভারেজ, সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারে। আমরা রোগের জন্য ব্যাকটেরিয়া ,ভাইরাস, এবং অন্যান্য প্যাথোজকে দায়ী করি; কিন্তু  চিনিকে করি না কারণ এর খারাপ প্রভাব দ্রুত আমাদের শরীরে পড়েনা।

নিম্নের তালিকাটি দেখলেই বুঝতে পারবেন আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শারিরীক স্বাস্থের অবস্থা কিভাবে চিনির দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে।

*১] শরীরে অতিরিক্ত গ্লুকোজ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়

*২] দেহে খনিজ লবণের ভারসাম্যতা নষ্ট করে

*৩] বাচ্চাদের হাইপার এ্যাকটিভিটি, বদমেজাজী, অমনোযোগীতা  এবং একরোখা আচরণের জন্য দায়ী  চিনি

*৪] ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা উল্লেখযোগ্য বাড়িয়ে দেয়

*৫] ব্যাটেরিয়াল ইনফেকশনের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।

*৬] টিস্যুর স্থিতিস্থাপতাকে এবং কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করে থাকে।

*৭] উপকারী হাই ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (এইচ ডি এল) কমিয়ে দেয়।

*৮] শরীরে ক্রোমিয়ামের অভাব দেখা দেয়

*৯]  ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বিশেষ করে স্তন, ওভারি, প্রোটেস্ট এবং রেকটাম।

১০] অনাহার বা অভুক্ত অবস্থায় গ্লুকোজ লেবেল বাড়িয়ে দেয়

*১১] কপারের অভাব দেখা দেয়

*১২] ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের শোষনে বাধা দেয়

*১৩] দৃষ্টি শক্তি কমিয়ে দেয়

*১৪] নিউরোট্রান্সমিটারের লেভেল বাড়িয়ে দেয় যেমন-ডোপমিন, সেরোটোনিন, এবং নরএপিনেফ্রিন

*১৫] হাইসোগ্লাইসোমিয়ার জন্য চিনি দায়ী

*১৬] এসিডিটি তৈরী করে

*১৭]  শিশুদের এড্রিনালিন লেভেল দ্রুত বৃদ্ধি করে

*১৮] অকালে বার্ধক্য আনে

*১৯] এ্যালকোহলিজমের ঝুকি বাড়ায়

*২০] দাঁতের ক্ষয় করে

*২১] স্থুল হতে সাহায্য করে

*২২] অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ অন্ত্রনালীর প্রদাহ এবং আলসারনেটিভ কলিটিসের ঝুঁকি বাড়ায়

*২৩] এজমা চিনির কারণে বাড়ে

*২৪] একপ্রকার ছত্রাক (Candida albicans) বৃদ্ধি চিনির কারণে।

*২৫] পিত্ত পাথর

*২৬] হৃদরোগ

*২৭]এপিন্ডিসাইড

*২৮] অর্শ

*২৯] মাল্টিপল স্কোরোসিস

*৩০] ভেরিকোসভেইন।

* ৩১] যারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল গ্রহণ করেন তাদের গ্লুকোজ এবং ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে দেয়

*৩২] দন্ত রোগের ঝুঁকি বাড়ায়

*৩৩] অস্টিওপরেসিস (হাড়ক্ষয়) হতে পারে

*৩৪] স্যালাইভা এসিডিটি হতে পারে

*৩৫] ইনস্যুলিনের প্রতি সংবেদশীলতা কমায়

*৩৬] রক্তে ভিটামিন ই এর পরিমান কমায়

*৩৭] গ্রোথ হরমোন কমায়

*৩৮] কোলেস্টরেল বাড়ায়

*৩৯] সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার বৃদ্ধি করে।

*৪০] বাচ্চাদের সক্রিয়তা কমায় এবং ঝিমুনিভাব আনয়নে সহায়তা করে

*৪১] অতিরিক্ত চিনি গ্রহণে Advanced glycation end-product AGEs)বৃদ্ধি করে

*৪২] প্রোটিন শোষনে বাধা দেয়

*৪৩] চিনি ফুড এলার্জির কারণ

*৪৪] ডায়াবেটিস হতে সাহায্য করে

*৪৫] গর্ভাবস্থায় রক্তের বিষাক্ততা সৃষ্টি করে

*৪৬] শিশুদের একজিমার জন্য দায়ী চিনি

*৪৭] কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ হতে পারে

*৪৮] ডি এন এ এর গঠনে বা জোড়ায় অসাঞ্জস্যতা হতে পারে

*৪৯] প্রোটিনের গঠন পরিবর্তন করে ত্বকে বার্ধক্য আনতে পারে।

*৫০] চোখে ছানি হতে পারে

*৫১] টিস্যুর বায়ুস্ফীতি হতে পারে

*৫২] এথেরস্ক্লেরসিস হতে পারে

*৫৩] ক্ষতিকর লো ডেনসিটি লিপ্র্রোপ্রোটিন বাড়িয়ে দেয়

*৫৪] অতিরিক্ত চিনি  গ্রহণ শরীরের  বিভিন্ন অঙ্গের কার্যাবলীর স্থায়ীত্ব কমিয়ে দেয়

*৫৫] এনজাইমের কার্যাবলী কমিয়ে দেয়

*৫৬] পার্কিনসন্স ডিজিজ হওয়ার  প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়

*৫৭] দেহে প্রোটিনের কার্যক্রমে বিপরীত প্রক্রিয়া দেখায়

*৫৮] লিভার সেল বিভক্ত করার মাধ্যমে লিভারকে আকারে বড় করে ফেলে

*৫৯] লিভারে চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়

*৬০] কিডনির আকার বড় করে এবং কিডনিতে প্যাথলজিক্যাল পরিবর্তন করে

*৬১] প্যানক্রিয়াসের ক্ষতি করে

*৬২] বউল চলাচলের প্রধান শত্রু হল চিনি

*৬৩] মায়োপিয়া হতে পারে(দৃষ্টিশক্তি ক্ষীন হওয়া)

* ৬৪] কৈশিক নালীর ক্ষতি সাধন হওয়া

*৬৫] দেহের ফ্রুইড ধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়

*৬৬] টেনডনগুলোকে বেশি ভঙ্গুর বানিয়ে দেয়

*৬৭] মাথাব্যথা, মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে

*৬৮] মহিলাদের অগ্ন্যশয় ক্যানসারের ঝুকি বাড়িয়ে দেয়

*৬৯] স্কুলের বাচ্চাদের পড়াশোনায় অমনোযোগির কারণ চিনি

*৭০] ডেল্টা, আলফা  এবং থেটা ব্রেইন ওয়েভ বাড়িয়ে দেয়

*৭১] বিষন্নতার একটি কারণ চিনি

*৭২] গ্যাস্ট্রিক ক্যনসারের ঝুকি বাড়ায়

*৭৩] বদহজম বা অজির্ণ রোগ হতে পারে

*৭৪] গেঁটে বাতের ঝুঁকি বাড়ায়

*৭৫] জটিল কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করার পর ওরাল গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্টে গ্লুকোজ লেভেল বাড়িয়ে দেয়

*৭৬] লিভারে চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়

*৭৭] ডায়াবেটিস হতে সাহায্য করে

*৭৮] এনজাইমের কার্যাবলী কমিয়ে দেয়

*৭৯] শিশুদের একজিমার জন্য চিনি দায়ী

*৮০] লো সুগার ডায়েটের চেয়ে হাই সুগার ডায়েটের তুলনা করলে দেখা যায় মানবদেহে ইনস্যুলিনের সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে

*৮১] অতিরিক্ত রিফাইন্ড চিনি শেখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়

*৮২] চিনি রক্তের প্রোটিন, এলবুমিন, এবং লিপোপ্রোটিনের  কার্যাবলী কমিয়ে দেয়, যার কারণে দেহের ফ্যাট এবং কোলেস্টরল এর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে যায়

*৮৩] আলঝেইমার হওয়ার প্রবণতা বাড়ায়

*৮৪] অনুচক্রিকা আঠালো হতে পারে

*৮৫] হরমোনের অসামঞ্জস্যতা হতে পারে; কিছু হরমোন কম ক্রিয়া  এবং কিছু হরমোন অতি ক্রিয়া প্রদর্শন করে

*৮৬] কিডনিতে পাথর গঠণের ঝুঁকি বাড়ায়

*৮৭] হাইপোথ্যালামাসকে অতিরিক্ত সংবেদনশীল করে যাতে প্রচুর উদ্দীপনা গ্রহণ করতে পারে

*৮৮] ঝিমুনী রেগের প্রবণতা বাড়ায়।

*৮৯] ফ্রি রেরেডিক্যাল এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেচ বাড়ায়।

*৯০] প্লাটিলেট এডইভশন বাড়িয়ে পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়

*৯১] অতিরিক্ত চিনি পিত্তনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

*৯২] ক্যানসারের খাবার চিনি

*৯৩] চিনি কোষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে

*৯৪] ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে, কম পরিমান চিনি গ্রহণ তাদের জীবনকে নিরাপদে রাখে

*৯৫] মোটা বা স্থুল ব্যক্তিদের উচ্চ রক্তচাপের কারণ চিনি

*৯৬] অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ মৃগীরোগের কারণ হতে পারে

*৯৭] চিনি পোলিও রোগের ঝুঁকি বাড়ায়

*৯৮] ফুসফুস ক্যান্সারের একটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল অতিরিক্ত সুয়েক্রোজ জাতীয় মিষ্টি পদার্থ গ্রহণ

*৯৯] ব্রেইনে অক্সিজেনের পরিমান কমিয়ে দেয়

*১০০] চিনির কারণে অস্বাভাবিক  বিপাকক্রিয়া হতে পারে যা ক্রনিক ডিজেনারেটিভ ডিজিজের সূচনা করে

*১০১] এড্রেনাল গ্যান্ডর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়

*১০২] চিনি মূত্রতন্ত্রের ইলেক্ট্রোলাইটের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে

*১০৩] হাইপার এ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (এ ডি এইচ ডি) এর ফলে বাচ্চাদের মনোযোগ অনেক কমে যায়, যার অন্যতম একটি কারণ চিনি

*১০৪] চিনি দেহে দ্রুত শোষিত হয়ে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা বাড়িয়ে দেয় যা মোটা হওয়ার বা স্থুলতার একটি কারণ

*১০৫] চিনি দেহে পরিবর্তিত হয়ে রক্তরসে ২-৫ গুণ চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়

*১০৬] বেশী চিনি মানসিক স্থায়িত্ব অর্থাৎ ইমোশনাল স্ট্যাবিলিটি কমিয়ে দেয়

*১০৭] চিনি এ্যালকোহলের মতো মাদকতা তৈরী করতে পারে

*১০৮] চিনি একটি নেশা জাতীয় উপাদান

*১০৯] পিত্তথলীর ক্যান্সারের কারণ হতে পারে চিনি

*১১০] চিনি ফসফাটেজ নামক এনজাইমকে ধ্বংস করে যার কারণে হজম প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়ে

*১১১] পুরুষদের ইস্ট্রাডিওল (যা ইস্ট্রেজেনের কারণে স্বাভাবিকভাবেই হয়) অবস্থা বাড়িয়ে দেয়

*১১২] চিনি কোলনে ব্যাকটেরিয়াল এনজাইম এবং মলে পিত্ত এসিডের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। এই পরিবর্তিত পিত্তের জন্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান সৃষ্টি এবং কোলন ক্যান্সার হয়

*১১৩] চিনি পরিপাতন্ত্রের নালীতে খাদ্য পরিবহনের সময় কমিয়ে দেয়

*১১৪] অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ প্রাপ্ত বয়স্কদের গর্ভধারণ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়

*১১৫] গর্ভবস্থায় প্রচুর পরিমানে চিনি গ্রহণ ডেলিভারীর সময় অসুবিধা সৃষ্টি করে

*১১৬] চিনি খাবার গ্রহণের পরিমান বাড়িয়ে দেয়

*১১৭] কিশোর সংশোধন কেন্দ্রগুলোতে তাদের খাবারে যদি কম পরিমান চিনি দেওয়া হয় তাহলে প্রায় ৪৪% অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে তাদেরকে মুক্ত রাখা সম্ভব

*১১৮] চিনি প্রেটেষ্টট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

*১১৯] চিনির কারণে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুদের শরীর শুকিয়ে যায়

*১২০] তরুণ ছেলেদের ইস্ট্রাডিওল  স্টেরয়েড যা ইট্রোজেন তৈরী করে) বৃদ্ধি করে

*১২১] কম ওজন বিশিষ্ট শিশু জন্মের জন্য চিনি দায়ী

*১২২] অতিরিক্ত রিফাইন্ড চিনি গ্রহণ সিজোফ্রেনিয়ার ঝুকি বাড়ায়

*১২৩] রক্তরসে হোমোসিসটেইন লেভেল বাড়ায়

*১২৪] মিষ্টি জাতীয় খাবার ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

*১২৫] ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ৈ দিতে পারে চিনি

*১২৬] চিনির কারণে ল্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার হতে পারে

*১২৭] চিনির কারণে স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে

*১২৮] লবণ ও পানির ধারণক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে

*১২৯] যদি ১০ বছর  বয়সের ( ছেলে-মেয়েদের ) শিশুদের চিনি গ্রহণ বেড়ে যায় তাহলে অন্যান্য এসেন্সিয়াল উপাদান গ্রহণ ক্ষমতা কমে যাব

*১৩০] দেহে অতিরিক্ত খাবার জমা রাখে

*১৩১] প্রি-মোনোপোজাল সিন্ড্রোম বা মাসিক পূর্ববতী দুঃশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয়

*১৩২]কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে

*১৩৩] প্রি-ডায়াবেটিক এবং ডায়াবেটিক মহিলাদের ব্রেইনের ক্ষতিসাধন করে

*১৩৪] পাকস্থলির ক্যান্সার হতে পারে

*১৩৫] মেটাবলিক সিনড্রোম হতে পারে

*১৩৬] গর্ভবতী মহিলারা চিনি গ্রহণ করলে ভ্রুণের ক্ষতি হতে পারে

*১৩৭] অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ইরিটেবল বউল (আই বি এস) সিনড্রোমের কারণ হতে পারে

*১৩৮] মস্তিস্কের সেন্ট্রাল রিওয়াড সিস্টেমের ক্ষতি সাধন করে

*১৩৯] মলাশয় ক্যান্সারের কারণ হতে পারে

*১৪০] এন্ড্রোমোনিয়াল ক্যান্সার হতে পারে

*১৪১] কিডনিকোশ ক্যান্সার হতে পারে

*১৪২] লিভার টিউমার হতে পারে।

 

চিনি এবং ক্যান্সার

বর্তমানে আমেরিকাতে ৪ মিলিয়নেরও বেশি ক্যান্সার রোগিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদেরকে বৈজ্ঞানিক ভাবে স্বীকৃত কোন পুষ্টি থেরাপি দেয়া হয় না। শুধু বলা হয় ভাল খাবার খাও।  অনেক ক্যান্সার রোগীর অবস্থা অনেক উন্নত হয় শুধুমাত্র ক্যান্সার ফুয়েল গুলুকোজের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। রোগের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ক্যান্সার বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করা সম্ভব। ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডায়েট, ব্যায়াম, সাপ্লিমেন্ট, মেডিটেশন এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বলা হয় “চিনি ক্যান্সারের খাবার”। চিকিৎসা বিজ্ঞানী জার্মানীর অটো ওয়ারবার্গ ১৯৩১ সালে প্রথম আবিষ্কার করেন, স্বাস্থ্যকর কোষ (হেলদি সেল)র চেয়ে গঠনগতভাবে ক্যান্সার কোষের বিপাকীয় শক্তি আলাদা। তাঁর থিসিসের মূলকথা হল ম্যালিগ্লন্যান্ট টিউমার অবায়বীয় গ্লাইকোলাইসিস পদ্ধতিতে দত্রু বৃদ্ধিপায়। এই পদ্ধতিতে ক্যান্সার কোষগুলো জ্বালানী হিসেবে গ্লুকোজ ব্যবহার করে উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড তৈরী করে, যা স্বাভাবিক কোষে হয় না।

ক্যান্সার কোষে গ্লুকোজ ফারমন্টেশেনরে মাধ্যমে প্রচুর পরমিানে ল্যাকটকি এসডি উৎপন্ন হয় তা লিভারে চলে যায়। গ্লুকোজের এই পরিবর্তনে ল্যাকটেট ক্যান্সার কোষগুলোতে অধকি এসিডিটি তৈরী করে যার কারণে বৃদ্ধপ্রিাপ্ত টউিমাররে অবস্থাও অধিক এসিডিক হয়।

ক্যান্সার থেরাপিতে ব্লাড গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ। যদিও ক্যান্সার কোষ পরিচালিত হয় অ-বায়বীয় গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় তৈরি শক্তি থেকে। তারপরও খাবারে চিনি এবং কার্বো-হাইড্রেট কম রাখা উচতি। তাহলে ব্লাড সুগার লেভেল কম রাখা সম্ভব এবং খুব কম হলে ক্যান্সার কোষ খাবার কম পাবে এবং ইমউিন ফাংশন বাড়ব।

 

করণীয়

১] চনি, মিষ্টি জাতীয় রফিাইন্ড সুগার ব্যবহৃত হয় এমন সকল খাবার/পানীয় এড়িয়ে চলা।

২] নিজ শরীররে চাহিদা মোতাবকে খাবার গ্রহণ করতে হব।

৩] একই সময়ে ভারী খাবার, সাথে বিভিন্ন ফল/চা, সাথে আবার- টা, র্পযায় ক্রমে গ্রহন করবনে না।

৪] ভাত কম গ্রহণ করবনে। গম নিজে কিনে আটা তৈরি করে ননি।

৫] ফল্টিার করা পানি ব্যবহার করুন, সাথে আদা/মধু ব্যবহার করে পান করুন ।

৬] খাবার গ্রহন এমন ভাবে নর্বিাচন করুন যাতে সহজইে হজম হতে পার। সকল রোগরে মূলইে আছে কোষ্ঠকাঠন্যি।

৭] আপেল, বেদানা, আঙ্গুর, কলা, পেঁপে, গাজর, শশা, লেবু ইত্যাদি এবং মৌসুমি রসাল ফল মনেুতে রাখার চষ্টো করুন।

৮] ভরপটে খাবার গ্রহণ থকেে বরিত থাকুন।

৯] সুস্থতা আ্ল্লাহর দান এর নয়িন্ত্রণ আপনার হাতে

১০] শিশুদের চিনিমুক্ত রাখুন। টফ,চিপস, ড্রিংক, ক্যান্ডি, কেক ইত্যাদির পরিবর্তে ফল দিন।

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: