News Updates

Home » আপনার রাশি » জ্যোতিষ জ্যোতিষ খেলা

কছিুকথা
আপনার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার কৌতুহল চিরন্তন। চিরদিনই মানুষ যাতে চেয়েছে তার আজ, আগামী ও ভবিষ্যৎ। এ জানার আগ্রহেই এর জন্ম জ্যোতিষ শাস্ত্রের বা হস্তরেখাবিদ্যা এবং অন্যান্য। আসলেই কি জ্যোতিষ শাস্ত্র আজ ও আগামীর ফলাফল বলে দিতে পারে ? না কি নিছক প্রতারণা ?
যাই হোক আমরা যে বিষয়াবলী সম্পর্কে আলোচনা করেছি তা হলো গ্রহ-রাশি। খ্রিস্টপূর্ব ৪ হাজার বা ২ হাজার অব্দে প্রাচীন চ্যালডিয়ান বা ব্যাবিলনীয় সভ্যতার যুগে। চীন, মিসর, গ্রিস ও রোম-সভ্যতায় এর বিরাট প্রভাব দেখতে পাই। ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র গ্রিক ও রোম সভ্যতা দ্বারা বিরাটভাবে প্রভাবিত।
রাশিচক্র (হরস্কোপ) হচ্ছে সাধারণ ভাবে কোনও ব্যক্তির জন্ম তারিখ, জন্মের সময়ে (অবস্থান)মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহের অবস্থান কোথায় ছিল- তারই বিবরণ এবং এরই ভিত্তিতে ব্যক্তিরটির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও সময় প্রবাহ ইত্যাদি নিরূপনের শাস্ত্র।
এই রাশি কাহিনী নিয়ে বা পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে, তা নিয়ে আমাদের কোন প্রশ্ন নেই তর্কও নেই আমরা এ নিবন্ধে এটাই জানাতে চাই তা হলো আমার/আমাদের সবলতা/দুর্বলতা সম্পর্কে অবহিত করা বা হতে।যাতে করে আমরা আমাদের চলার পথে সতর্ক হতে পারি, সতর্ক থাকি, সহজ থাকি।
আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করি। সবই যদি সবল হয় ? প্রকৃতিতে কী সবই সবল ? না সবাই’র আলাদা আলাদা করে দোষ/গুণ রয়েছে কেননা সবাই যাতে করে সমভাবে সকলের কাছে আমাদের দোষ/গুণ দ্বারা সমাদৃত হতে পারি। তাই আমরা গুণ দেখবো, দোষ যা আছে তা সরিয়ে রাখবো। আর এটাই হোক আমাদের অঙ্গিকার।

জীবদহেে গ্রহ/নক্ষত্র
 মনে করা হয়, চন্দ্র-সূর্যের প্রভাবে যেমন নদী ও সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা নিয়ন্ত্রিত হয়- তেমনই গ্রহ প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় মানুষের (মন) (মস্তিষ্ক) র ক্রিয়া ও কর্ম জীবন ও ভাগ্যকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে।
 রাশিচক্র হচ্ছে চাঁদ, সূর্য এবং অন্যান্য প্রধান গ্রহ গুলোর অবস্থা নিয়ে মহাকাশের একটি কল্পিত (রেখা) অঞ্চল।
মহাকাশের সূর্যের গতিপথের নাম ক্রান্তিবৃত্ত। এর সমান্তরাল এবং তা থেকে সমদূরবর্তী দুটি বৃত্তবেষ্টিত ১৬ ডিগ্রি পরিমিত খগোলের বলয়াকৃতি স্থানকে বলে রাশিচক্র। চন্দ্র ও সূর্য সবসময় এর মধ্যে অবস্থান করে। এতে ১২টি তারামন্ডল আছে। এরাই মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন রাশি নামে পরিচিত।
 প্রত্যেক রাশি বা তারামন্ডলকে ৩০ ড্রিগ্রি ধরা হয়। মোট ২৭ নক্ষত্র নিয়ে এই রাশিচক্র। এক-এক ভাগে পড়ে ২.১/৪ নক্ষত্র। চন্দ্রের এক রাশিতে অবস্থানকালও ২.১/৪ দিন।
 মেষ’কে প্রথম রাশি ধরা হয়। সূর্য ১২ মাসে ১২টি রাশিতে অবস্থান করে। ( ইউরেনাস, নেপচুন,) উপগ্রহ।
 সেই সাথে আছে সূর্যের অনুরূপ ২৭ নক্ষত্র :
অশ্বিনী, ভরণী, কৃত্তিকা, রোহিণী, মৃগশীরা, আদ্রা, পুনর্বসু, পুষ্যা, অশ্লেষা, মঘা, পূর্বফাল্লুনী, উত্তরফাল্গুনী, হস্তা, চিত্রা, স্বাতী, বিশাখা, অনুরাধা, জ্যেষ্ঠা, মূলা, পূর্বষাঢ়া, উত্তরষাঢ়া, শ্রবণা, ধনিষ্ঠা, শতভিষা, পূর্বভাদ্রপাদ, উত্তরভাদ্রপাদ ও রেবতী। এই নক্ষত্রগুলির রশ্মি গ্রহগুলির উপর বয়ে এসে পৃথিবীতে যে প্রভাব বিস্তার করে, তার ফল জীবজগতের উপর ক্রিয়াশীল। প্রত্যেক তারকার আলাদা ভূমিকা রয়েছে।
 সকল গ্রহই আমাদের শরীর ও মনে প্রভাব ফেলে। যেমন : তালু, কফ, উদর, রক্ত, শ্লেষ্মা, মূত্রের ধাত নির্ণয়ে চন্দ্র। বাঁ কান, কোমর, যকৃৎ, অন্ত্র, পিত্তে, মঙ্গলের প্রভাব।
১ রবি : দেহে: আভ্যন্তরিণ শক্তি, মনে: ইচ্ছাশক্তি।
২. চন্দ্র : দেহে: তিথিভেদে জীবকুলের জলীয়ভাগের হ্রাস-বৃদ্ধি। মনে: সকল ধরণের আবেগ ও অনুভূতি।
৩. মঙ্গল : দেহে: রক্তসঞ্চালন ক্রিয়া, মনে: আত্মপ্রত্যয়।
৪. বুধ : দেহে: মস্তিষ্কের সামনের অংশ, মনে: অনুকরণের ক্ষমতা।
৫. বৃহস্পতি : দেহে: দেহস্থ যন্ত্রদি নিজস্ব করে নেয়া, মনে: জ্ঞান,তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
৬. শুক্র: দেহে: লাবণ্য, কোষসমূহ, মনে: ইন্দ্রিয়জ অনুভুতি।
৭. শনি: দেহে: দেহের অস্থিসমূহ, মনে: নৈরাশ্য।
৮. রাহু: দেহে: অনুভুতিকারক যন্ত্রাদি, মনে: পঞ্চেন্দ্রিয়ের কারক,
৯. কেতু: দেহে: যান্ত্রিক ব্যাপারাদি, মনে: অনুভুতিহীনতা।
১০. ইউরেনাস (ইন্দ্র): মনে: আকাঙ্খা, দেহে: প্রাণশক্তির প্রত্যক্ষ ক্রিয়া।
১১. নেপচুন (বরুণ): দেহে: প্রাণ শক্তির পরোক্ষ ক্রিয়া, মনে: আবেগ।
গ্রহরে অশুভ স্থানরে প্রভাব কাল নম্নিরূপঃ
ক্স গ্রহের অশুভ স্থানের প্রভাব কাল নি¤œরূপ :
রবি: ৬ বছর, চন্দ্র: ১০ বছর, মঙ্গল: ৭ বছর, রাহু: ১৮ বছর, বৃহস্পতি: ১৬ বছর, শনি: ১৯ বছর, বুধ: ১৭ বছর, কেতু: ৭ বছর, শুক্র: ২০ বছর ক্রিয়শীল থাকে।
প্রত্যেক রাশির মানুষই জন্মের পর থেকে শুভ, অশুভ এবং মাঝামাঝি- এই তিনভাবে জীবন কাটান। দাবি করা হয়-রাশি গণনা দ্বারা এর অগ্রিম আভাস দেওয়া যায়।
* অগ্রিম আভাস পেলে জাতক-জাতিকা সেইভাবে জীবন ও কর্মকে পরিচালনার চেষ্টা করতে পারেন।
* জাতক/জাতিকার ভবিষ্যদ্বাণীর ক্ষেত্রে রাশি চরিত্রের বিশ্লেষণটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাশরি চারিত্রিক বৈশিষ্ট জানা থাকলে নিজ শক্তি দ্বারা নিজ নিজ ভাগ্যকে বিরাটভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

#কোন কোন বারে (দনি) শুভ কাজ করা উত্তমঃ
# কোন কোন বারে (দিনে) শুভ কাজ করা উত্তম :
 সাধারণ ভাবে জন্মদিন ও তারিখ শুভ।
 নতুন কাজ শুরু : মে মাসের ১ম সপ্তাহ এবং বিজোড় সংখ্যা এড়িয়ে চলা।
 পূণিমার প্রথম ৩ দিন কাগজ/দলিল করার উপযুক্ত সময়।
 নতুন বিষয়ক কাজে পূণিমার প্রথম ৫ দিন ও ২৪ তারিখ শুভ।
 সোম: অল্পদূর ভ্রমণ, ডাক্তার দেখানো, জমি ও গাড়ী কেনা বেচা শুভ।
 মঙ্গল: চিকিৎসা ও সামাজিক যোযোগ।
 বুধ: চিঠি (মেইল), দরখাস্ত, ব্যাংকের কাজ, অর্থ সম্পর্কিত, প্রচার।
 বৃহস্পতি: বিয়ে, ব্যাকিং, প্রচার ও খেলাধূলা।
 শুক্র: প্রেম, সামাজিক মেলামেশা, বাজার ও বিয়ে।
 বাড়িঘর তৈরী, ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
 * সোম/বুধ/শুক্র: পুরুষদের জন্য শুভ।
 * মঙ্গল/বৃহ:/শনি: নারীর জন্য শুভ।
যে সময়ে শুভ কাজ উচতি নয়ঃ
ক্স যে সময়ে শুভ কাজ করা উচিত নয়:
*রবিবার : সন্ধ্যা : ৪.৩০ থেকে ৬.০০ পর্যন্ত। *সোমবার : সকাল : ৭.৩০ থেকে ৯.০০ পর্যন্ত। *মঙ্গলবার : দিন : ৩.০০ থেকে ৪.৩০ পর্যন্ত। *বুধবার : দিন : ১২.০০ থেকে ১.৩০ পর্যন্ত । *বৃহস্পতিবার : দিন : ১.৩০ থেকে ৩.০০ পর্যন্ত । *শুক্রবার : সকাল : ১০.৩০ থেকে ১২.০০ পর্যন্ত । *শনিবার : সকাল : ৯.০০ থেকে ১০.৩০ পর্যন্ত।
#রং/রাশি
# রঙ: কে না ভালবাসে ? তবে সবাই যে একই রং ভলোবাসে তা নয়। রং ধনুর সাত রং হলে তবেই রংধনু হয় দেখতে ভালোই লাগে। কিন্তু যদি কেউ সাতরং একসাথে পরে তাহলে কি ভাল লাগবে? নিশ্চয় নয়। হ্যাঁ সবার রঙ এক নয়, সবাইকে সব ধরণের মানায় না আবার ভালোও লাগে না। আমরা কোথাও বেড়াতে বা বিশেষ কোনও অনুষ্ঠানে যেতে রং নিয়ে বিপাকে পড়ি, পোষাক যাই হোক পরলেই হলো তাই না? কেমন রং কেমন পোশাক তার উপর নির্বচিত হয় রংয়ের পোশাক।
# গ্রহ গণরে ঔষধি (ভষেজ)
* গ্রহ গণের ঔষধি (ভেষজ) ঃ
০১শুক্র: নেপচুন: হাইড্রোকোটাইল-এস০থাঙ্কুন,ি মধু। ০২ শনি: সেফালিকা০, দুর্ব্বা, মধু। অথবা শ্বেত-বেড়েলার আরক। ০৩ রবি(সূর্য) বেলপাতা ০৪ চন্দ্র: মধু। মঙ্গল: পঞ্চমুখী জবা, দুর্ব্বা, অথবা অনন্তমূল। ০৫ বুধ:রাহু: হাইড্রোকোটাইল /০৬ বৃহস্পতি: চিরতা অথবা বামুনহাটি মূল। ০৭ কেতু: অশ্বগন্ধা।
# জন্মরাশি অনুযায়ী ঔষধ (বায়ওকমেকি)
* গ্রহ গণের ঔষধ (বায়োকেমিক) ঃ
মেষরাশি: কেলিফস। বৃষরাশি: নেন্ট্রাম-সালফ। মিথুনরাশি: কেলি-মিউর। কর্কটরাশি: ক্যাল্কে-ফ্লুর। সিংহরাশি: ম্যাগ-ফস। কন্যারাশি: কেলি-সালফ। তুলারাশি: নেন্ট্রম-সালফ। বৃশ্চিকরাশি: ক্যাল্ক-সালফ। ধনুরাশি: সাইলেসিয়া। মকররাশি: ক্যাল্কে-ফস। কুম্ভরাশি: নেন্ট্রাম-মিউর। মীনরাশি: ফেরাম-ফস।

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: