News Updates

Home » আপনার রাশি » ১২ রাশির খাবার দাবার

খেতে কার না ভাল লাগে! আর এ ভালো লাগার ব্যাপারটা স্বাস্থ্য সম্মত হয় তবেই সব’চে ভাল। তা ছাড়া বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য জরুরী।

খাবারের ব্যাপারে এক একজনের এক এক রকম ভিন্নতা রয়েছে। সুস্থতা আল্লাহ’র মহান দান। ভাগ্যও বটে।
খাবার নিয়ম মেনে খাওয়া উচিত, যে সব খাবার খেলে অপকার বা শরীর ও মনে বিক্রিয়া ঘটে তা বিনয়ের সাথে পরিহার করা উচিত।

রাশি ভেদে খাবারের ভিন্নতা রয়েছে। নিয়ম মেনে চললে ডাক্তারের কাছে বেশি বেশি যেতে নাও হতে পারে।

# মেষ রাশি

মেষ রাশির জাতকদের প্রাণশক্তি বেশ শক্তিশালী। তাই এদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশ। এরা সহজেই রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে পারে। কিন্তু খাবারের ব্যাপারে কোন অনিয়ম ঘটলে তাদের শরীরে রোগ ও শোকের জন্ম ঘটে। তাদের খাবারের তালিকায় আঁশ, শেকড় জাতীয় শাক সবজীর প্রধান্য দিতে হবে। এসব খাবার বেশি বেশি খাওয়া প্রয়োজন। এদের খাবারে লেবু চিরতা সহ নানা ধরণের ভেষজ উপাদান থাকা উচিত। এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত মশলা জাতীয়, চর্বিযুক্ত মাংস এবং দুগ্ধজাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে।

# বৃষ রাশি
বৃষ রাশির জাতকেরা দৃঢ় প্রত্যয়ী, অধ্যবসায়ী, এবং পরিশ্রমী। এ কারণে তাদের দৈহিক বৈশিষ্ট ও গঠন শক্ত-সামর্থ্য। সেই শক্ত-সামর্থ্য স্বাস্থ্যকে ধরে রাখার জন্য তাদের খাবারের প্রতি বেশ যতœশীল হতে হবে। বৃষ রাশির জাতকদের খাবারের তালিকায় মাংস, আলু, শস্য জাতীয় খাবার, সবজী, মাখন, মিষ্টি, পনির আর তেল জাতীয় খাবার রাখা উচিত। তবে ভারী খাবার এবং টক জাতীয় ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।
# মিথুন
রাশির জাতকেরা সব সময় একটু ছটফটে ধরনের। শরীর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে তাদের তেমন মাথাব্যাথা না থাকায় তাদের স্বাস্থ্য বেশ খারাপই থাকে। তাই শরীরকে উজ্জ্বল লাল শাক-সবজি বাদাম এবং নারিকেল থাকা একান্ত বাঞ্চনীয়। আর অতিরিক্ত চিনি ও দানাদার শস্য জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
# ককর্ট রাশি
কর্কট রাশির জাতকেরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে থাকে। তাই তাদের ও স্বাস্থ্যের অবস্থা তেমন ভাল না। ভালো স্বাস্থের অধিকারী হওয়ার জন্য তাদের শাক-সবজি, শিম, ফল-ফলাদি, আটা, ভাত প্রর্ভতি শর্করা জাতীয় খাদ্য খাবারের তালিকাভুক্ত করা উচিত। সেই সংগে ফলের রস, মধুও যুক্ত করা উচিত। খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিৎ মাখন আর দুগ্ধজাত জাতীয় খাবার।

# সিংহ রাশি

সিংহ রাশির জাতকরা কর্মশক্তিতে পরিপূর্ণ। উদ্যমী মনোভাবের কারণে সব কাজে তাদের বেশ যত্নবান হওয়া উচিত। সিংহের খাবারের তালিকায় তাই আঁশ ও শেকড় জাতীয় শাক ও সবজি এবং নানা জাতের ভেষজ উপাদান থাকা উচিত। আর এড়িয়ে যাওয়া উচিত বেশী মসলা জাতীয় খাবার, চর্বিযুক্ত মাংস এবং দুগ্ধজাত সামগ্রী।

# কন্যা
কন্যা রাশির জাতকরাও বেশ পরিশ্রমী। তাই তাদের খাবারের প্রতি বেশ যতœবান হওয়া উচিত। এ কারণে তাদের খাবারের তালিকায় যেসব খাবার থাকা উচিত সেগুলো হলো মাংস, মিষ্টি, পনির আর তেল জাতীয় খাবার। এবং বাদ দিতে হবে অতিরিক্ত চর্বি ও মসলা জাতীয় খাবার।

# তুলা রাশি
তুলা রাশির জাতকরা অনেক ক্ষেত্রে অলস হওয়ার কারণে তাদের কাজ-কর্মের ব্যাপারে তেমন কোন আগ্রহ থাকেনা। তবে তারা কষ্ট সহ্ষ্ণিু। এ কারণে তাদের খাবারের তালিকায় থাকা উচিত শাক-সবজি, বাদাম এবং নারিকেল জাতীয় খাবার। আর অতিরিক্ত চিনি ও দানাদার শস্য জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।

# বৃশ্চিক রাশি
বৃশ্চিক রাশির জাতকরা বেশ উদ্যমী। তাদের রয়েছে অক্লান্ত কর্মশক্তি। আর এই কর্মশক্তিকে ঠিক রাখার জন্য বৃশ্চিকদের খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত শাক –সবজী, শিম ,ফল-ফলাদি, ফলের রস, মধু আটা, ভাত প্রভৃতি শর্করা জাতীয় খাদ্য। আর বাদ দেওয়া উচিৎ চর্বি জাতীয় খাবার।

# ধনু রাশি
ধনু জাতকরা সবসময় অস্থির এবং চঞ্চল হয়ে থাকে। আর সে কারণে নিজের স্বাস্থে’র প্রতি তাদের নিজেদেরই কোনও খেয়াল থাকে না। কিন্তু সহজেই স্বাস্থ্যের প্রতি যতœশীল হওয়ার জন্য খাবারের তালিকায় রাখা উচিত আঁশ আর শেকড় জাতীয় শাক-সবজি এবং নানা ধরণের ভেষজ উপাদান। অতিরিক্ত চর্বি আর মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।

# মকর রাশি
মকর রাশির জাতকরা বিশাল রকমের অধ্যবসায়ী। তাই তাদের স্বাস্থ্যের প্রতি খুব যত্নশীল ওয়া দরকার এবং তার জন্য তাদের খাদ্য তালিকায় শাক-সবজি, শিম, ফল-ফলাদি, আটা ভাত প্রভৃতি শর্করা জাতীয় খাদ্য খাবারের তালিকা ভুক্তি করা উচিত। আর অতিরিক্ত মসলা এবং ভারি খাবার খাওয়া বাদ দেওয়াটাই ভালো হবে।

# কুম্ভ রাশি
কুম্ভ রাশির জাতকরা বেশ রুচিশীল এবং বিলাসী। এ কারণে পরিশ্রমের কাজে তাদের অংশ গ্রহণ থাকেনা বললেই চলে। তবু তারা নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের প্রতি বেশ যতœবান হয়। এদের খাবারের তালিকায় যা থাকা উচিত তা হচ্ছে উজ্জল লাল শাক-সবজি, বাদাম, নারিকেল এবং আঁশ-জাতীয় খাবার। অতিরিক্ত চিনি ও দানাদার শস্য জাতীয় খাবার প্রভৃতি না খাওয়াই ভালো।

# মীন রাশি
মীন রাশির জাতকরা সেবা পরায়ণ এবং দয়াশীল হওয়ার কারণে অন্যের উপকারেই তাদের সময় কাটে। অন্যের যতœ নিতে নিতে নিজের প্রতি খেয়াল করতে ভুলে যান অনেক সময়। কিন্তু তা ঠিক নয়, কারণ অন্যের উপকার করতে হলে নিজেকেও শক্ত -সামর্থ হতে হবে। তার জন্য এদের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা বিশেষ প্রয়োজন। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য তাদের খাবারের তালিকাতে শাক-সবজি, শিম,ফল-ফলাদি আটা, ভাত প্রভৃতি শর্করা জাতীয় খাদ্য এবং ফলের রস, মধু এসব যুক্ত করা উচিত। খাবারের তালিকায় বাদ দেওয়া উচিত মাখন দুগ্ধজাত খাবার।

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: