News Updates

Home » ইবাদাত » দুরুদ ও দোয়া

দরূদ

*‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর উপর দরূদ প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর উপর দরূদ প্রেরণ কর এবং সালাম বল।’

* ‘যে রাসূলের আনুগত্য করে, সে যেন আল্লাহরই আনুগত্য করল।’

* আবু হোরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত দরূদ শরীফ পাঠ করা মাত্রই আল্লাহতায়ালা হযরত রাসুলে করীম (সঃ) এর নিকট উহা পৌঁছাইবার জন্য একজন ফেরেশতা পাঠাইয়া দেন। ঐ ফেরেশতা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া আরজ করিতে থাকেন যে ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) অমুকের পুত্র অমুক ব্যক্তি আপনার প্রতি এই দরূদ শরীফ পাঠাইয়াছেন।

* জুমার দিন যে ব্যক্তি ৮০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, আল্লাহ পাক তাহার ৪০ বছরের গুনাহ সমূহ মার্জনা করিয়া দেন।

* দোয়ার শুরু ও শেষে দরূদ পাঠ করা উত্তম।

* দরূদও একটি এবাদত।

 

# দরূদে লাখী

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি রাহমাতিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বিআদাদি ফাদ্বলিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া-সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বিআদাদি খালকিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিন বি’আদাদি ঈ’লমিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি কালিমাতিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া-ছাল্লিম আলা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি কারামিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিমআ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি হুরূফি কালামিল্লাহ। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া  সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি কাতারাতিল আমতার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সাইয়্যদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি আওরাকিল আশজার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা আলি সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি রামলিল কিফার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লাসায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি মা খুলিক্কা ফিল বিহার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদিল হুবুবি ওয়াছছিমার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদিল লাইলি ওয়ান্নাহার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি মা আযলামা আলাইহিল লাইলু ওয়া আশরাকা আলাইহিন্নার। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি মান ছাল্লা আলাইহি। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি মাল্লাম য়্যুছাল্লি আলাইহি। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি আনফাসিল খালায়্যিকি। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়িদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদিনুজুমিস সামাওয়াত। আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি কুল্লি শাইয়িন ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাতে ছালাওয়াতুল্লাহি তা’আলা ওয়া মালায়িকাতিহী ওয়া আম্বিয়ায়িহী ওয়া রাছুলিহী ওয়া জামী’ঈলখালায়িক্কি আলা সায়্যিদিল মুরসালিনা ওয়া ইমামিল মুত্তাক্কীনা ওয়া ক্কায়িদিল গুররিল মুহাজ্জালীনা শাফী’ঈল মুযনিবীনা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলিহী ওয়া-আছহাবিহী ওয়া-আযওয়াজিহী ওয়া-যুররিয়াতিহী ওয়া-আহলি বায়তিহী ওয়া আহলি ত্বা’আতিকা আজমা’ঈনা মিন আহলিস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বীনা বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন ওয়া ইয়া আকরামাল আকরামীনা ওয়া ছাল্লাল লাহু তা’আলা  সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমা’ঈনা ওয়া সাল্লামা তাসলীমান দায়িমান আবাদান কাছীরাও ওয়াল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামিন।

* ফায়দাঃ এই দরূদ পাঠে একলাখ দরূদ পাঠের সওয়াব পাওয়া যাইবে।

 

# দরূদ ইব্রাহীম

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিউ ওয়ালা আলি সাইয়িদিনা মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতালা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিউ ওয়ালা আলি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইব্রাহীমা ওয়ালা আলি ইব্রাহিমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ।

 

# দরূদে ফুতুহাত

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া ছাল্লিম আলা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া আলাআলিহী বি আ’দাদি আনওয়াররিযক্বি ওয়াল ফুতুহাতি ইয়া বাসিতাল্লাযী ইয়াবছুতুর রিযক্বা লিমাইয়্যা শা-উ বিগাইরি হিসাব। উবসুত্ব আলাইনা রিযক্বা’ও ওয়াসিআ’ম মিনকুল্লি জিহাতিম মিন খাযায়্যিনি গাইবিকা বিগাইরি মান্নাতিম মাখলুক্বিম বিমাহদ্বিন ফাদ্বলিকা ওয়া কারামিকা বিগাইরি হিসাব।

* ফায়দাঃ  পারিবারীক জীবনে উন্নতি ও নামাজের পরে পাঠ করিলে রুজি রোজগারে বরকত হয়।

 

 

# দরূদে তুনাজ্জিীনা

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা সায়্যেদিনা মুহাম্মাদিওঁ ওলা আলে ছায়্যেদেনা মুহাম্মাদিন ছালাতান তুনাজ্জীনা বিহা মিন জামীঈল আহওয়ালে ওয়াল আফাতে ওয়াতাক্কদীলানা বিহা জামীঈল হায়াত ওয়াতুত্বাহেরুনা বিহামিন জামীইচ্ছায়্যেআত ওয়া তারফাউনা বিহা ইন্দাকা আ’লাদ্দারাযাত ওয়াতুবাল্লেগুনা বিহা আক্কছাল গায়াতে মিন যামীঈল খায়রাতে ফিল হায়াতে ওয়া বা’দাল মামাত। ইন্নাকা আলা কুল্লে শাইয়্যিন ক্কাদীর।

 

# দরূদে তাজ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সায়্যেদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন সাহিবিত তাজি ওয়াল মি’রাজি ওয়াল বুরাক্কি ওয়াল আ’লামি, দাফি’য়িল বালায়ি ওয়াল ওবায়ি ওয়াল ক্কাহত্বি ওয়াল মারাদ্বি ওয়াল আলামি; ইছমুহু মাকতুবুম মারফু’উম মাশফু’উম মানক্কুশুন ফিল লাওহে ওয়াল ক্কালামি, ছাইয়িদিল আ’রাবে ওয়াল আজামি, জিছমুহু মুক্কাদ্দাসুম মুয়াত্বত্বারুম মুত্বাহহারুম মুনাওয়ারুন ফিল বাইতে ওয়াল হারামি; শামসিদ্ব দ্বোহা বাদরিদ দুজা ছাদরিল উ’লা নূরিল হুদা কাহফিল ওয়ারা মিছবাহিয যুলামি জামীলিশ শিয়ামি শাফী’য়িল উমামি ছাহিবিল জুদি ওয়াল কারামি; ওয়াল্লাহু আ’ছিমুহু ওয়া জিবরীলু খাদিমুহু ওয়াল বুরাক্কু মারকাবুহু ওয়াল মি’রাজু সাফারুহু ওয়া ছিদরাতুল মুšতাহা মাক্কামুহু ওয়া ক্কাবা কাওসাইনি মাত্বলুবুহু ওয়াল মাতলুবু মাক্কছুদুহু ওয়াল মাক্কছুদুহু মাউযুদুহু সাইয়্যেদিল মুরসালীনা খাতামিন নাবিঈনা শাফীইল মুজনিবীনা আনীছিল গারীবিনা রাহমাতুল্লিল আলামীনা রাহাতিল আশেক্কীনা মুরাদিল মুশতাক্কীনা শামছিল আরেফীনা সিরাজিচ্ছালেকীনা মিছবাহিল মুক্কাররাবীনা মুহিব্বীল ফুক্কারায়ি ওয়াল মাসাকীনি সাইয়িদিছ ছাক্কালাইনি নাবিইয়ীল হারামাইনি ইমামিল ক্কিবলাতাইনি ওয়াসীলাতিনা ফিদ্দারাইনি ছাহিবি ক্কাবা ক্কাওসাইনি মাহবুবি রাব্বিল মাশরিক্কাইনি ওয়াল রাব্বিল মাগরেবাইনি জাদ্দিল হাসানে ওয়াল হুসাইনি মাওলানা ওয়া মাওলাছ ছাকালাইনি আবিল ক্কাসিমি মুহাম্মাদিবনি আবদিল্লাহি নুরিম্মিমিন নুরিল্লাহি ইয়া আয়্যূহাল মুশতাক্কুনা বিনুরি জামামিলিহি ছাল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী ওয়া সাল্লিমু তাছলীমা।

# দরূদে রুইয়াতে নববী (সাঃ)

আল্লাহুম্মা সাল্লে আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি।

# এই দরূদ পাঠের আমল দ্বারা নবী (সঃ) এর সহিত স্বপ্নযোগে সাক্ষাত লাভ হয়। ঐ ব্যক্তির গুনাহরাশি মাফ হয়।

# দরূদে হাজারী

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিম মা দামাতির রাহমাতু ওয়া সাল্লি আলা মুহাম্মাদিম মা দামাতিল বারাকাতু ওয়া সাল্লি আলা রূহি মুহাম্মাদিন ফিল আরওয়াহি ওয়া সাল্লি আলা ছুরাতি মুহাম্মাদিন ফিছছুওয়ারি ওয়া সাল্লি আলা ইসমি মুহাম্মাদিন ফিল আসমায়ি ওয়া ওয়া সাল্লি আলা নাফসি মুহাম্মাদিন ফিনফুসি। ওয়া সাল্লি আলা ক্বলবি মুহাম্মাদিন ফিলকুলুবি ওয়া সাল্লি আলা ক্বাবরি। মুহাম্মাদিন ফিল কুবুরি ওয়া সাল্লি আলা রাওদ্বাতি মুহাম্মাদিন ফির রিইয়াদ্বি ওয়া সাল্লি আলা জাসাদি মুহাম্মাদিন ফিল আজদাসি ওয়া সাল্লি আলা তুরবাতি মুহাম্মাদিন ফিত্তুরাবি। ওয়া সল্লাল্লাহু আলা খাইরি খালক্বিহী। সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলিহী ওয়া আছহাবিহী ওয়া আজওয়াজিহী ওয়া যুররিয়্যাতিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ওয়া আহবাবিহী আজমাঈন। বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

# ১.মৃত ব্যক্তির উপর এই দোয়া বখশে দিলে আল্লাহ তা কবুল করেন। ২.কবরে মৃত ব্যক্তির শিয়রে দরূদ পাঠ করিলে ৮০ বৎসরের আযাব মাফ করে দেন। ৩. ২১বার পাঠ করে পিতা-মাতর জন্য দোয়া করিলে তাহাদিগকে সুখে শান্তিতে রাখিবেন।

# দরূদে খায়ের

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যেদিনা ওয়া নাবিয়্যিনা ওয়া শাফিয়্যিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।

# খায়ের মানে বরকত, যত বেশী পাঠ করা হইবে ততবেশী উন্নতি ও কল্যাণ সাধিত হইবে।

 

# দরূদে মাহী

আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিন খাইরুল খালায়িক্কি আফজালুল বাশারি শাফীউল উম্মাতি ইয়াওমাল হাশরি ওয়ান নাশরি  সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিম বিআদাদি কুল্লি মা’লুমিল্লাক ওয়া সাল্লি আলা জামীইল আমবিয়ায়ি ওয়াল মুরসালীনা ওয়াল মালায়িকাতি ওয়াল মুক্বাররাবীনা ওয়া আ’লা ই’বাদিল্লাহিস সালিহীনা ওয়ারহামনা মাআ’হুম বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

# বিপদ আপদে/নিরাপত্তায় এ দরূদ অতীব কার্যকর, বাদ ফজর ৭বার।

 

# দরূদে শেফা

আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি সাইয়্যিনিা মুহাম্মাদিম বি’আদাদি কুল্লি দায়িউ ওয়া দাওয়ায়িই ওয়া ওয়া বি আদাদি কুল্লি ইল্লাতিউ ওয়া শিফাইন।

# দীর্ঘায়ূ কামনায়, রোগ ব্যাধি,মহামারী নিরাময়ে ফযিলতপূর্ণ দরূদ। ফজর/মাগরেব ৩/৭ বার।

 

“আপনার রবের প্রশংসা পবিত্রতা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের আগে, সূর্যাস্তের পর এবং রাতের কিছু অংশে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন এবং সালাতের পরেও।”

 

দোয়া

# দোয়া ইবাদতের মূলবস্তু। দোয়া বা প্রার্থনা করা না হইলে ইবাদতের সার্থকতা পুরাপুরি পাওয়া যায় না। দোয়ার শক্তি ও সামর্থ অসীম এবং সর্বাপেক্ষা বেশী। (তকদীর (অদৃষ্ট) এমন বস্তু যাহা একমাত্র দোয়া ব্যতীত অন্য কিছুর দ্বারাই পরিবর্তিত হয়।

 

হুযুরে পাক (দঃ) এর আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া সমূহ

১) হে মাবুদ! কৃপণতা থেকে আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। ভীররুতা থেকে আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। দুনিয়ার বিপদাপদ থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। কবর আযাব থেকে তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করছি।

২) হে মাবুদ! আমি লোভ ও লালসা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যে, যে লোভ মন্দের দিকে নিয়ে যায়।  আমি লোভনীয় বস্তুর লোভ থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি।

৩) হে মাবুদ! যে বিদ্যা উপকারী নয়, তা’থেকে তোমার নিকট  আশ্রয় চাই, এমন দিল থেকে, যা’ভয় শূন্য, এমন দোয়া হতে, যা শোনা যায় না, এমন আত্মা হতে, যা তৃপ্ত এবং সন্তুষ্ট হয় না। আমি তেমার নিকট ক্ষুধা থেকে আশ্রয় চাই, কেননা, তা’কুনিদ্রার সঙ্গী। আমি খেয়ানত করা থেকে আশ্রয় চাই। আলস্য, কার্পণ্য, কাপুরষতা, অধিক বার্দ্ধক্য, দাজ্জালের ফেতনা, কবর আযাব এবং জীবন ও মৃত্যুর বিপদ থেকে আশ্রয় চাই। হে প্রভূ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি তাওবাকারী দিল, ক্ষমার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা, তোমার রহমতের কবুলিয়ত, প্রত্যেক গুনাহ থেকে নিরাপত্তা, প্রত্যেক নেক কাজ হতে ‘প্রতিদান’, বেহেশতের বরকত এবং দোযখ থেকে মুক্তি।

৪) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট ধ্বংস হতে আশ্রয় চাই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা, সর্বনাশ এবং তোমার পথে পশ্চাৎপদ হয়ে স্বীয় বিপদ ডেকে আনা হতে। আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি দুনিয়া অন্বেষণে স্বীয় সর্বনাশ ডেকে আনা থেকে।

৫) হে মাবুদ! যে মন্দ বিষয় আমি জানি না কিন্তু তুমি অবগত তা’থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে মাবুদ! কু-চরিত্র, কু-আমল, ক-ুব্যাধি এবং ক-ুলালসা থেকে আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি।

৬) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই বিপদাপন্ন হওয়ার চেষ্টা থেকে, দুর্ভাগ্যের স্পর্শ থেকে, কুবিচার এবং শত্রুদের তিরস্কার থেকে।

৭) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি কুফরী, কর্জ, দারিদ্র, দাজ্জালের ফেতনা এবং দোযখের আযাব থেকে।

৮) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি চক্ষু,রসনা, দিল, এবং বীর্যঘটিত কু-কাজগুলো থেকে।

৯) হে মাবুদ! আমি স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে মন্দ প্রতিবেশী হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি হৃদয়ের কাঠিন্য, অমনোযোগীতা, দারিদ্রতা, অপমান এবং অপদস্থতা হতে। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই কুফরী, দারিদ্র, গুনাহর কার্য, দুর্ভাগ্য, মুনাফেকী, মন্দ স্বভাব, জীবিকায় সংকীর্ণতা, যশঃস্পৃহতা এবং রিয়া বা লোক দেখানো প্রবৃত্তি হতে। হে মাবুদ! তোমার নিকট আশ্রয় চাই বধিরতা, অন্ধতা, বাকহীনতা, কুষ্ঠরোগ,যক্ষা এবং অন্যান্য কঠিন ব্যাধি থেকে।

১০) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি তোমার নিয়ামতের তিরোধান, তোমার শান্তির পরিবর্তন, শাস্তির আগমন এবং তোমার অসন্তুষ্টি জনিত অবস্থাগুলো হতে।

১১) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি দোযখের শা¯িত, কবর আযাব, সম্পদের পরীক্ষা, দারিদ্রতার ক্লেশ, এবং দাজ্জালের ফেতনা হতে। আমি আশ্রয় চাই ঋণের বোঝা ও গুনাহর দুর্ভোগ থেকে।

১২) হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি এমন নফস হতে যার তৃপ্তি নেই। এমন দিল থেকে যার ভয় নেই। এমন নামায থেকে যা উপকারী নয়, এমন দোয়া থেকে যা মকবুল নয়। হে মাবুদ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা, দুর্ভোগ এবং

যাবতীয় বিপদাপদ থেকে। হে মাবুদ আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই ঋণের প্রাধান্য, শত্রুর প্রাধান্য এবং প্রতিকূল অবস্থানসমূহের প্রাধান্য হতে। হে মাবুদ! তুমি প্রেরণ কর আমাদের নবীর উপর অসংখ্য দরূদ ও সালাম।

 

 

# উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা (রাঃ) এর দোয়া

হে আল্লাহতায়ালা! আমি তোমার নিকট পরিপূর্ণ কল্যাণ প্রার্থনা করি। বর্তমান ও ভবিষ্যতের এবং আমি যা জানি ও জানি না। আমি তোমার নিকট জান্নাত প্রার্থনা করি এবং এমন কথা কাজ প্রার্থনা করি, যা আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে দেবে। আমি তোমার নিকট জাহান্নাম হতে আশ্রয় চাই, যা তোমার বান্দা রাসূল (সঃ) প্রার্থনা করেছেন। আমি তোমার নিকট সেই বিষয় থেকে আশ্রয় চাই, যা থেকে আশ্রয় চেয়েছেন তোমার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ (সঃ)। আমার প্রার্থনা , তুমি আমার জন্য যে বিষয়ের ফয়সালা করেছ, তার পরিণতি আমার জন্য আপন কৃপাগুণে শুভ কর হে পরম দয়াময়।

 

# হযরত ফাতিমাতাজ্বজাহ্রা (রাঃ) এর দোয়া

“ হে চিরজীবি, হে ক্ষমতাবান, তোমার রহমতের ফরিয়াদ জানাই। আমাকে এক মুহুর্তের জন্যও আমার নিজের নিকট অর্পণ করো না এবং আমার যাবতীয় অবস্থা সংশোধন করে দাও।

 

# হযরত আবু বকর সিদ্দীকি (রাঃ) এর দোওয়া

হে আল্লাহতায়ালা! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি তোমার নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর মাধ্যমে, তোমার খলীল ইব্রাহীম (আ) এর মাধ্যমে, তোমার সাথে বাক্যালাপকারী মূসা (আ) এর মাধ্যমে, তোমার কালেমা ঈসা (আ) এর মাধ্যমে, মূসা (আ) এর তাওরাতের মাধ্যমে ঈসা (আ) এর ইঞ্জিলের মাধ্যমে, দাউদ (আ) এর যবুরের মাধ্যমে, মুহাম্মদ (স) এর কুরআনের মাধ্যমে, তোমার প্রেরিত প্রত্যেক ওহীর মাধ্যমে, তোমার জারীকৃত প্রত্যেক ফয়সালার মাধ্যমে, যে  সওয়ারীকে তুমি দান করেছ, তার মাধ্যমে, যে সম্পদশালীকে তুমি খুশী করেছ তার মাধ্যমে, যে নিঃস্বকে তুমি সম্পদসম্পদশালী করেছ তার মাধ্যমে এবং যে পথভ্রান্তকে তুমি হেদায়েত দান করেছ। তার মাধ্যমে আমি প্রার্থনা করি তোমার সেই নামের বরাত দিয়ে, যা তুমি মূসা (আ) এর উপর নাযিল করেছ, আমি প্রার্থনা করি সেই নামের যাদ্বারা বান্দার রিযিক কায়েম থাকে। আমি প্রার্থনা করি সেই বরাতে, যাকে তুমি দুনিয়ার উপর রেখেছ। ফলে সে স্থির হয়ে গেছে। আমি প্রার্থনা করি সেই নামের ওছিলা দিয়ে, যাকে তুমি আকাশ মন্ডলীর উপর স্থাপন করেছ, ফলে আকাশ উঁচু হয়ে গেছে। আমি প্রার্থনা করি সেই নামের বরাতে, যাকে তুমি পাহাড় সমূহের উপর স্থাপন করেছ, ফলে পর্ব্বতমালা স্থির হয়ে গেছে। আমি প্রার্থনা করি তোমার পূত-পবিত্র, একক, বিজোড় নামের বরাত দিয়ে, যা তোমার পক্ষ থেকে তোমার কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে। আমি তোমার নিকট তোমার নামে দোয়া করি যা দিনের উপর স্থাপন করেছ বলে তা আলো দেয় এবং রাতের উপর স্থাপন করেছ বলে তা আঁধার হয়। তোমার ইজ্জতে, তোমার প্রভাবের সাহায্যে, তোমার সম্মানিত মুখমন্ডলের সাহায্যে দোয়া করি যেন তুমি আমাকে কুরআনের রিযিক ও অর্থ দান কর এবং আমার রক্ত, মাংস, কান ও চোখের সাথে তা মিশ্রিত কর এবং তা দ্বারা আমার শরীরকে কার্যে নিযুক্ত কর তোমার শক্তি সামর্থ্যরে সাহায্যে। কারণ, তোমার শক্তি সামর্থ্য ছাড়া অন্য কোন শক্তি-সামর্থ্য নেই হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।

 

# হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর দোওয়া

ইলাহী! এ তোমার নব সৃষ্টি, তোমার আনুগত্যে একে খুলে দাও এবং তোমার ক্ষমা ও সন্তুষ্টিতে একে সমাপ্ত কর। এর মধ্যে তুমি আমার জন্য কল্যাণ দাও এবং আমার নিকট থেকে তা কবুল কর। একে পবিত্র কর। আমার জন্য একে দুর্বল কর এবং এর মধ্যে আমি যদি কো কিছু খারাপ কাজ করি সেজন্য আমাকে মাফ কর। নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল, দয়াময়, প্রেমময় ও সম্মানিত।

 

# হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ) এর দোওয়া

ইলাহী! আমি দিনের শুরুতে ভোর বেলায় জাগ্রত হয়েছি। যা আমি অপছন্দ করি তা’ করতে অসমর্থ এবং যা আমি আশা করি তা’ সফল করতে আমি শক্তি রাখি না। আমলের বদৌলতে খুব ভোরে ঘুম থেকে জাগ্রত ্হই। আমার চেয়ে অধিক দরিদ্র আর কেউ নেই। ইলাহী! আমার দুশমন যেন আমার ব্যাপারে খুশী না হয়। আমার বন্ধু যেন আমাকে মন্দ না জানে। আমার ধর্মের ক্ষেত্রে আমাকে কোনরূপ বিপন্ন করো না। আমার জাগতিক চিন্তা-ভাবনা বড় করো না। যারা আমার প্রতি দয়াশীল নয়, তুমি তাদের উপর আমাকে ন্যস্ত করো না হে চিরজীবী ও চিরস্থায়ী।

 

# হযরত খিজির (আঃ) এর দোওয়া

আল্লাহর নামে, আল্লাহ যা ইচ্ছে তাই করেন। আল্লাহর ক্ষমতা ছাড়া আর কোন ক্ষমতা নেই, আল্লাহ যা ইচ্ছে তাই করেন। যাবতীয় নিয়ামতই আল্লাহর নিকট থেকে আসে, আল্লাহ যা ইচ্ছে তাই করেন। আল্লাহ ছাড়া মন্দ দূর করার ক্ষমতা আর কারো নেই।

*যে ব্যক্তি ভোরে এই দোয়া তিনবার পাঠ করে, সে অগ্নিতে পুড়ে যাওয়া থেকে, সলিল সমাধি থেকে এবং নিজে বা নিজের মাল-সামান খোয়া যাওয়া থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় নিরাপদ থাকে।

 

# আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) এর দোওয়া

# উম্মাহাতুল মু’মেনীন হযরত আয়েশা (রা) বলেন, যখন আল্লাহতা’আলা হযরত আদম (আ) এর দোয়া কবুল করার ইচ্ছে করলেন, তখন হযরত আদম (আ) কা’বা ঘর সাত বার তাওয়াফ করেন। তারপর দু’রাকআত নামায আদায় করে বললেন,

* হে আল্লাহ! তুমি আমার গোপন ও প্রকাশ্য সব কিছুই জান। অতএব তুমি আমার ওযর কবুল কর। তুমি আমার প্রয়োজনীয়তা জান। অতএব আমার দোয়া মঞ্জুর কর। আমার মনের ভেতর কি লুকিয়ে রয়েছে তা তুমি জান। অতএব আমার গুনাহ ক্ষমা কর। ইলাহী! তোমার নিকট আমি ঈমানের দোয়া করছি, যেন আমার মন সুসংবাদ লাভ করে। আমি সত্য আশা করছি, যে পর্যন্ত জানতে পারি যে, যা আমার বিরুদ্ধে লেখা তাও আমার উপর পতিত হবে না। যে সন্তুষ্টি আমাকে দেয়া হয়েছে তা আমি চাই, হে সম্মান ও গৌরবের অধিকারী!

* তখন আল্লাহতা’আলা ওহী পাঠালেন, হে আদম! আমি তোমাকে মাফ করে দিলাম। তোমার বংশধরদের মধ্যে যে এই দোয়া দ্বারা আমার নিকট দোয়া করবে আমি তাকেও মাফ করে দিবো। তার দুঃখ, চিন্তা ও দরিদ্রতা দূর করে দেব। তাকে প্রত্যেক ব্যবসায়ীর চেয়ে অধিক লাভ দেব। তাছাড়া পাথিব সুখ-সমৃদ্ধি তার নিকট স্বেচ্ছায় ছুটে আসবে, যদিও সে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে।

 

# হযরত আলী (রাঃ) এর দোওয়া

* হযরত আলী (রাঃ) নিম্নে বর্ণিত কথাগুলো দ্বারা আল্লাহর নিকট দোয়া করতেন। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ইরশাদ করেন, আল্লাহতা’আলা প্রতি দিন নিজেই নিজের গৌরব প্রকাশ করে বলতে থাকেন,

* আমি আল্লাহ, আমার জনক নেই, আওলাদ নেই। আমি আল্লাহ, আমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই। আমি ক্ষমাকারী, আমি আল্লাহ, আমি ছাড়া অন্য ইলাহ নেই। আমি প্রতিটি জিনিসের মূল স্রষ্টা এবং সকল কিছু আমারই কাছে প্রত্যাবর্তন করবে। আমি মহাজ্ঞানী, মহাসম্মানিত, রহীম ও রাহমান, বিচার দিনের অধিকর্তা, কল্যাণ ও অকল্যাণের সৃষ্টিকর্তা, অদ্বিতীয়, একক অভাবশূন্য, যিনি স্ত্রী বা পুত্র গ্রহণ করেননি, যিনি বিজোড়, অদৃশ্য ও দৃশ্য বস্তু যার জ্ঞাত, যিনি পবিত্র, যিনি মহান মালিক, যিনি প্রবল প্রতাপান্বিত, গৌরবান্বিত, সৃষ্টিকর্তা, পরিবর্তনকারী, উচ্চ, ধ্বংসকারী, সহিষ্ণু ও ধৈর্যশীল, মহাসম্মান্বিত, প্রশংসা ও গৌরবের একচ্ছত্র অধিকারী, প্রকাশ্য ও গোপনীয় বিষয়ে জ্ঞাত, শক্তিশালী, ক্ষমাশীল, রিযিকদাতা। প্রত্যেকটি কলেমার পূর্বে তিনি বলেন, আমি আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই।

* গুণবাচক নামগুলো জিকির করে আল্লাহর নিকট দোয়া করে সে যেন বলে, নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহ, তুমি ছাড়া উপাস্য নেই।

এভাবে যে ব্যক্তি দোয়া করে ,তাকে সিজদাকারী এবং বিনয়ী লোকদের মধ্যে লিপিবদ্ধ করা হয়। (ঠিক আছে)

 

# মকবুল দোওয়া

* হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) এর থেকে বর্ণিত নবী করীম (সঃ) বলেনঃ আল্লাহতা’আলার এরশাদ এই

“ আমি আমার বান্দার সাথে তেমনি ব্যবহার করি, যেমন সে আমার সম্পর্কে ধারণা রাখে। যখন সে আমাকে ডাকে, তখন আমি তার সাথে থাকি।”

অপর হাদীসে রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ দোয়া করা হুবহূ এবাদত করা। “ আল্লাহ তা’য়ালা বলেনঃ তোমরা আমার নিকট দোওয়া কর । আমি তোমাদের দোওয়া কবুল করব।”

* দু’টি দোওয়া আল্লাহর দরবার থেকে প্রত্যাখ্যাত হয় না।

১) আযানের সময়কার দোওয়া।

২) জেহাদে সারিবদ্ধ হওয়ার সময়কার দোওয়া।

* আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত রসূলে করীম (সাঃ) বলেনঃ তিনটি দোওয়া বিশেষ ভাবে কবুল করা হয়। এতে সন্দেহ নেই।

১) সন্তানের জন্যে পিতামাতার দোওয়া।

২) মুসাফীর ও প্রবাসীর দোওয়া।

৩) মযলুম তথা উৎপীড়িতের দোওয়া।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত রসূলে করীম (সাঃ) বলেনঃ পাঁচ ব্যক্তির দোওয়া বিশেষ ভাবে কবুল করা হয়

১) মযলুমের দোওয়া যে পর্যন্ত সে প্রতিশোধ না নেয়।

২) হজ্বব্রত পালনকারীর যে পর্যন্ত সে ঘরে ফিরে না আসে।

৩) আল্লাহর পথে জেহাদকারীর দোওয়া যে পর্যন্ত সে শহীদ হয়ে দুনিয়া থেকে নিরুদ্দেশ না হয়ে যায়।

৪) রুগ্ন ব্যক্তির দোওয়া যে পর্যন্ত সে আরোগ্য লাভ না করে।

৫) ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য অন্য ভাইয়ের দোওয়া।

অতপরঃ রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ এ গুলোর মধ্যে সর্বশেষ দোওয়াটি অত্যন্ত দ্রুত কবুল হয়।

# যে কোন সময় / যে কোন অবস্থায় / যে কোন কাজে / দেওয়া করা যায়। দোওয়া ধীরে এবং শুদ্ধতায় একাগ্রচিত্তে করা উচিত।

 

# দোয়া’য়ে হাবীব

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আ’যাবাল লিলমুহিব্বি কাইফা ইয়ানামু  ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু ত্বালিবুল জান্নাতি লা ইয়ানামু  ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু খালিক্কুল লাইলি লা ইয়ানামু   ক্কুম  ক্কুম ইয়া  হাবীবী কাম তানামু খালিক্কুল খালক্কি লা ইয়ানামুক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কামতানামু আল আরশু ওয়াল কুরসিয়্যু লাইয়ানামু   ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কামতানামু আল লাওহু ওয়াল ক্কালামু লা ইয়ানামু  ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কামতানামু কুল্লুল মালাকুতি লা ইয়ানামু   ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আশশামসু ওয়াল কামারু লা ইয়ানামু ক্কুমক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আল আরদু ওয়াস সামাউ লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আন নাজমু ওয়াশ শাজারু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আল বাররু ওয়া বাহরু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আল জান্নাতু ওয়া নারু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কামতানামু আল হুরু ওয়াল ক্কুছুরু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আত্ব ত্বাইরু ওয়াল ওয়াহ্শু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আন নাউমু আ’লাল মুহিব্বি হারামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু ত্বালিবুল মাওলা লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আল আ’শিকু ওয়াল মা’শূক্কু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আল এ’শক্কু ওয়াল মাহাব্বাতু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আল লাইলু ওয়া নাহারু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু নি’মাল মাওলা ওয়াল কিরামু লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু আদামু ছাফিয়্যুল্লাহি লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু ইব্রাহীমু খালীলুল্লাহি লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কামতানামু মুসা কালীমুল্লাহি লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু ঈসা রূহুল্লাহি লা ইয়ানামু ক্কুম ক্কুম ইয়া হাবীবী কাম তানামু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি লা ইয়ানামু।

 

 

 

আয়াতুল কুরসি

# আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যূল ক্বাইয়্যুম। লা তাখুজুহু ছিনাতাওঁ ওয়ালা নাউম। লাহু মা’ফিসসামাওয়াতি ওয়া মা’ফিল আরদ্ব। মান্যাল্লাযী ইয়াশফাউ ইনদাহু ইল্লা বি-ইযনিহী ইয়া’লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম ওয়ালা ইউহীতুনা বিশাই-য়িমমিন ইলমিহী ইল্লা বিমা শা-আ ওয়াছিয়া কুরছিয়্যু হুছ ছামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বা, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আযীম।

 

 

আয়াতে কুতুব

# ছুম্মাআনযালা আলাইকুম মিম বা’দিল গাম্মি আমানাতান নাআছাঁয়্যুাগশা ত্বা-য়িফাতাম মিনকুম ওয়া তায়িফাতুন ক্বাদ আহাম্মাতহুম আনফুছুহুম ইয়াযুননুনা বিল্লাহে গাইরাল হাক্কি যান্নাল জাহিলিয়্যাতি, ইয়াকুলুনা হাল লানা মিনাল আমরি মিন শাইয়িন, কুল ইন্নাল আমরা কুল্লাহু লিল্লাহ, । ইয়ূখফুনা ফি আনফুছিহিম মা লায়্যুবদুনা লাকা ইয়াকুলুনা লাও কানা লানা মিনাল আমরি শাইয়্যান মা কুতিলনা হাহুনা, কুল লাও কুনতুম ফী বুয়্যূতিকুম লাবারায়াল্লাযীনা কুতিবা আলাইহিমুল ক্বাতলু ইলা মাজাজিয়িহিম, ওয়া লিয়াবতালিয়াল্লাহু মাফী ছুদুরিকুম ওয়া লিয়্যূমাহহিছা মা ফী কুলুবিকুম ওয়াল্লাহু আলীমুম বিযাতিছ ছুদুর।

 

 

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত

# আল্লাহুম্মা আজিরনা মিনান্নারে ওয়াহফাজ আলা ক্বাউলে আউযুবিল্লাহিছ ছামীয়্যিল আলীমে মিনাশ শাইতানির রাজীম।

হুয়াল্লাহুল্লাযী লা-ইলাহা ইল্লাহুয়া, আলিমুল গাইবি ওয়াশ্ শাহাদাতি হুয়ার রাহমানুর রাহীম হুয়াল্লাহুল্লাযী লা-ইলাহা ইল্লাহুয়া, আল মালিকুল কুদ্দুছুছছালামুল মু‘মিনুল মুহাইমিনুলু আযীযুল জাব্বারুল মুতাকাব্বিরু, সুবাহানাল্লাহি আম্মা ইয়্যুশরিকুন, হুয়াল্লাহুল খালিকুল বারিউল মুছায়্যিরুললাহুল আসমাউল হুছনা, ইয়ূছাব্বিহু লাহু-মা ফিছসামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি ওয়া হুয়াল আযীযুল হাকীম।

* ফায়দা ঃ ৭ বার, এ দোয়া ফজর/মাগরিব ওয়াক্তে পড়লে দিন/রাতে নিরাপদে থাকবে।

 

# ৩৩ আয়াত

সূরা ফাতিহা এবং আল-বাকারার প্রথম চারি আয়াত

আলহামদু লিল্লাহে রাব্বিল আ’লামীন, আররাহমানীর রাহীম, মালিকি ইয়াওমিদ্দিন। ইয়্যাকানা’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতায়ীন ইহ্দিনাস্ সিরাত্বাল মু¯তাক্মি, ছিরাত্বাল্ লাযিনা আন আমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদ্বুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্ব দ্বোললীন। আমীন।

আলিফ-লাম-মীম, যালিকাল কিতাবু লারাইবা ফীহি, হুদাল্ লিলমুত্তাক্বীন, আল্লাযীনা ইউ’মিনুনা বিল গাইবি ওয়া ইউক্বীমুনাচ্ছালাতা ওয়া মিম্মা রাযাক্বনা-হুম ইউনফিকুন। ওয়াল্লাযিনা ইউমিনুনা বিমা উনযিলা ইলাইকা ওয়ামা উনযিলা মিন ক্বাবলিকা, ওয়া বিল আখিরাতি হুম ইউ’ক্বিনুন।

আয়াতুল কুরছি এবং পরের দু-আয়াত

* আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম,লা তা’খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়ালা নাওম লাহু মা ফিচ্ছামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্বী, মানযাল্লাযী ইয়াশফাউ ইনদাহু ইল্লা বিইযনিহী, ই‘য়া’লামু মা বাইনা আইদিহীম ওয়া মা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহীতুনা বিশাইয়্যিমমিন ইলমিহী ইল্লা বিমা  শা-আ, ওয়াসিয়া’ কুরছিয়্যূহু চ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বীওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা ওয়া হুয়াল, আলীয়্যূল আজীম।

লা ইকরাহা ফীদদ্বীনি। ক্বাদত্তাবাইয়ানার রুশদু মিনাল গাইয়্যি ফামাইঁইয়্যাকফুরু বিতত্বাগুতি ওয়াইউ’মিম্ম বিল্লাহি ফাকাদিসতাম ছাকা বিলওরয়াতিল উছক্বালান ফিছামালাহা ওয়াল্লাহু সামীউল আলীম। আল্লাহু ওয়ালীয়্যূল লাযীনা আমানু ইউখরিজহুম মিনাযযুলুমাতি ইলাননূরি। ওয়াল্লাযীনা কাফারু আওলিয়াহুমুতত্বাগুতি ইউখরিজুহুম মিনাননূরি ইলাযযুলুমাতি, উলায়িকা আছহাবুননারি হুম,ফীহা খালিদুন।

সুরা বাকারার সর্বশেষ ৩ আয়াত

* লিল্লাহি মা ফীচ্ছামাওয়াতি ওয়ামা ফীল আরদ্বী, ওয়া ইন তুবদু মা ফী আনফুসিকুম আও তুখফুহু ইউহাসিবকুম বিহিল্লাহি ফাইয়াগফিরু লিমাহঁইয়্যাশাউ ওয়া ইউআযযিবু মাইঁইয়্যাশাউ, ওয়াল্লাহু আলা কুল্লিশাইয়্যিন ক্বাদীর। আমানার রাসুলু বিমা উনযিলা ইলাহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রাসুলিহি লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিমমির রাসুলিহি ক্বালু সামিনা ওয়া আত্বানা, গুফরানাকা ওয়া ইলাইকাল মাছিরি। লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআ’হা লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত, রাব্বানা লা তুওয়াখিযনা ইন্নাসিনা আও আখত্বানা, রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিল আলাইনা ইছরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন ক্বাবলিনা, রাব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লাত্বাকাতালানা বিহি, ওয়া’ফু আ’ন্না ওয়াগফিরলানা, ওয়ারহামনা, আনতা মাওলানা ফানছুরনা আলাল ক্বাওমিল কাফিরিন।

সুরা আল-আরাফের ৭ম রুকুর প্রথম ৩ আয়াত

* ইন্না রাব্বাকুমুল্লাহুল্লাযী খালাক্বাসসামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বী ফী সিত্তাতি আইয়্যামিন ছুম্মাসতাওয়া আলাল আরশি, ইউগশীল লাইলা ওয়ান নাহারা ইয়াত্বলুবুহু হাছিছাওঁ ওয়াশশামসা ওয়াল কামারা ওয়ান নুজূমা মুসাখ খারাতিম বিআমারিহি, আলা লাহুল খালকু ওয়াল আমরু, তাবারাকাল্লাহু রাব্বুল আ’লামীন। উদ’উ রাব্বাকুম তাদ্বাররুআওঁ ওয়া খুফইয়াতান, ইন্নাহু লা ইউহিব্বুল, মু’তাদীন। ওয়া লা তুফসিদু ফীল আরদ্বী বা’দা ইছলাহিহা ওয়াদউহু খাওফাওঁ ওয়া ত্বামআন ইন্না রাহমাতাল্লাহি ক্বারীবুম মিনাল মুহসিনীন।

সুরা বনী ইসরাইল-এর সর্বশেষ ২ আয়াত

* কুলিদউল্লাহা আওয়িদউর রাহমানু, আইয়্যামামা তাদউফালাহুল আসমাউল হুসনা, ওয়ালা তাজহার বিসালাতিকা ওয়ালাতুখাফিত বিহা ওয়াবতাগী বাইনা যালিকাসাবীলানা। ওয়া কুলিল হামদু লিল্লাহিল্লাযী লাম ইত্তাখিয ওয়ালাদাওঁ ওয়া লাম ইয়া কুল্লাহু শারীকুন ফীল মুলকী ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু ওয়ালীয়্যুম মিনাযযুল্লি ওয়া কাব্বিরহু তাকবিরান।

সুরা আস্-সাফফাতের প্রথম ১০ আয়াত

* ওয়াচ্ছাফফাতি ছাফফান। ফাযযাজিরাতি যাজরান। ফাত্তালিয়াতি যিকরান। ইন্না ইলাহাকুম লাওয়াহিদুন। রাব্বুসসামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বী ওয়ামা বাইনাহুমা ওয়া রাব্বুল মাশারিক্বি। ইন্না যাইয়্যান্নাসসামা আদদুনইয়া বিযিনাতিনিল কাওয়াকিবি। ওয়াহিফযাম মিন কুল্লি শাইত্বানিমমারিদি। লা ইয়াসসাম্মাউনা ইলাল মালায়িল আ’লা, ওয়া ইয়ুক্বযাফুনা মিন কুল্লি জানিবিন। দুহুরাওঁ ওয়ালাহুম আযাবুও ওঁয়াছিবুন। ইল্লামান খাত্বিফাল খাত্বিফাতা ফাআতবা’হু শিহাবুন ছাকিবুন।

সুরা আররাহমানের কয়েকটি আয়াত

* ইয়া মাশারাল জিন্নি ওয়াল ইনসি ইনিসতাত্বা’তুম আনতানফুযু মিন আক্বত্বারিস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি ফানফুযু, লা তানফুযুনা ইল্লা বিসুলত্বানি। ফাবিআয়্যি আলায়ি রাব্বিকুমা তুকাযযিবান ইউরসিল আলাইকুমা শুওয়াযুম মিন নারিন, ওয়া নুহাসুন ফালা তানতাছিরান।

সুরা হাশরের শেষের কয়েকটি আয়াত

* লাও আনযালনা হাযাল ক্বুরআনা আলা জাবালিল লারাআইতাহু খাসিয়াম মুতাছাদ্দিয়াম মিন খাশিয়াতিল্লাহি ওয়া তিলকাল আমছালু নাদ্বরিবুহা লিন্নাসি লাআল্লাহুম ইয়াতাফাককারুন। হুয়াল্লাযি লা ইলাহা ইল্লাহুয়া, আলিমুল গাইবি ওয়াশশাহাদাতি হুয়াররাহমানুর রাহীম। হুয়াল্লাহুল্লাযিলা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আল মালিকুল কুদ্দুসুসসালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আযিযুল জাব্বারুল মুতাকাব্বারু, সুবাহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকুন। হুয়াল্লাহুল খালিকুল বারিয়্যুল মুছায়্যিরুললাহুল আসমাউল হুছনা, ইউসাব্বিহু লাহু মা ফীসসামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, ওয়া হুয়াল আযিযুল হাকীম।

সুরা জ্বীনের প্রথম কয়েকটি আয়াত

* ক্বুল উহিয়া ইলাইয়্যা আন্নাহুস তামাআ’ নাফারুম মিনাল জিন্নি ফাকালু ইন্না সামি’না ক্বুরআনান আজাবান। ইঁয়াহ্দী ইলার রুশদি ফাআমান্না বিহি,ওয়া লান  নুশরিকা বিরাব্বিনা আহাদান। ওয়া আন্নাহু তায়া’লা জাদ্দু রাব্বিনা মাত্তাখাযা ছাহিবাতাওঁ ওয়া লা ওয়ালাদান। ওয়া আন্নাহু কানা ইয়াকুলু সাফিহুনা আলাল্লাহি শাত্বাত্বা।

 

* সাথে চার কুল যোগ করে পড়তে হয়। সকাল ও সন্ধ্যায় ১বার

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: