News Updates

Home » আপনার রাশি » জ্যোতিষ জ্যোতিষ খেলা (বারো রাশির সাধারন ফল: মকর রাশি)

১# মকর/রাশি স্বরূপ ঃ
মকর স্ত্রী ও চর রাশি, ভূমিতত্ত্ব, অর্ধরব, দক্ষিণ দিকস্বামী, পিঙ্গলবর্ণ, রুক্ষগাত্র, শুভ বূমিচারী, শীতল স্বভাব, স্বল্পসঙ্গ, বায়ূপ্রকৃতি, রাত্রিবলী, পূর্বার্ধ চতুষ্পদ, পরার্ধ জলচর, বিষমোদয়, বৈশ্য।
২# মকর/কেমন:
মকররাশিতে জাতব্যক্তি পরকামিনী সম্ভোগে অভিলাষী, লদ্ধধনভোগী, নৃপতিতুল্য, প্রতাপবান, যন্ত্রণা ও বাদানুবাদ নিপুন, কৃশ শরীর, অতিশয় বুদ্ধিমান, বন্ধুবর্গে ভোক্তা এবং বীর স্বভাব সম্পন্ন হয়ে থাকেন।
৩# মকর প্রকৃতি ঃ
জাতক বুদ্ধিমান, আত্মাভিমানী, অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, ধীর, সুনামপ্রিয়, ভোগবিলাসী, øেহপ্রবণ ও দায়িত্বসম্পন্ন হয়ে থাকেন। অবশ্য বাহ্যিক আচার আচরণে ইনি সাধু ভাবাপন্ন হলেও প্রকৃতি ততটা সরলা নয় আদৌ। বাহ্যিক ব্যবহারে অন্তরের নিগুঢ় রহস্যের ছাঁপ ধরা পড়বে না। যতই কুটকৌশলী হন না কেন,ূ তার সহজাত চাতুর্যপূর্ণ নীতি দিয়ে তাকে প্রতিহত করবেন। বাহ্যিক দিক দিয়ে ধীরস্থির বিবেচিত হলেও তার জীবনে চাতুর্যপূর্ণ চাঞ্চল্য বর্তমান। কর্মপটু এ জাতক কোন কর্মারাম্ভের পূর্বে ধীরস্থির ভাবে বিবেচনা সহকারে ভেবেচিন্তে সব কাজে প্রবৃত্ত হবেন। কাজেই আরাদ্ধ কর্ম সুচারু ভাবে দ্রুততার সঙ্গে সেরে নিতে তার কষ্ট হবে না।
কোনরূপ পরিবর্তনশীল কাজ ব্যতীত একভাবের কাজে দীর্ঘকালব্যাপী নিবদ্ধ থাকা তার প্রকৃতিবিরুদ্ধ। যে রূপ কাজেই জাতক অগ্রসর হোন না কেন, কোনরূপ দ্বৈতভাব মনে না এনে ইনি আরদ্ধকর্ম সুচারূপে সম্পন্ন করবেন। কর্মেই প্রকৃত মুক্তি সে আমার নয়’ কবির এই মহৎবাণী এই জাতকের জন্য সঠিক প্রযোজ্য।
জাতকের এহেন একাগ্রতা, অধ্যবসায় ও অনমনীয় ইচ্ছাশক্তির সংযোগে তারপক্ষে কোনরূপ দুঃসাধ্য কর্মসম্পাদনও বেগ পেতে হয় না। কুলশীলগত মর্যাদার চেয়ে-বংশগত ঐতিহ্যের চেয়ে স্বীয় কর্ম-কুশলতা ও বিশেষত্বের প্রভাবে জগতে অতুলনীয় কীর্তি স্থাপনে ইনি সতত আগ্রহী এবং ইনি এভাবেই জগতে প্রসিদ্ধলাভ করতে চান। ক্রমোন্নত উচ্চাসনে আসীন হওয়ার প্রতিই তার স্বাভাবিক প্রবণতা। জাতক দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন। তৎপ্রতি অর্পিত কর্মাদি যথাসাধ্য সঠিক পরিচালনে সুষ্ঠভাবে নির্ধারিত সময়ে নিষ্পন্ন না করতে পারলে বিশ্রামের প্রশ্ন তার মনে জাগে না; সে জন্য পারিপর্শ্বিক ও উপরস্থ জনের একটা তীক্ষè সুদৃষ্টিও সহানুভূতিপূর্ণ আকর্ষণ তার প্রতি চিরকাল থাকবে। কর্মের সৌন্দর্যের দিকেও এর লক্ষ প্রবল। ফলে অধিনস্থজনের কোনরূপ ত্র“টি পরিলক্ষিত হলে ইনি ক্ষেত্রবিশেষে দুর্বাক্য প্রয়োগ করতেও দ্বিধাগ্রস্থ হবেন না। এ জন্য পারিপার্শ্বিক অনেকের সঙ্গেই তার মনোমালিন্য ও সাময়িক বিচ্ছেদ হতে পারে। অন্যের দোষত্র“টি, পতন-ঙ্খলনের প্রতি দৃষ্টিপাতহীন হয়ে অদীনস্থ জনকে বুঝিয়ে কাজ সুন্দর করে গুছিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কর্তব্য। অন্যথায় বিনা প্রয়োজনে রূঢ়ভাব প্রকাশ পেলে আত্মপ্রতিষ্ঠর পথে বিঘœ দেখা দিবে। যদি কখনও যুক্তি প্রমাণ সহকারে দেখতে পান যে, অপরের মত ও পথ নিজের থেকে উত্তম তাহলে তাকে গ্রহন করাও বুদ্ধিমানের কর্তব্য হবে। নিজ আচরিত ধর্ম ও কর্ম স্বেচ্ছায় পরিত্যাগ করতে ইনি দ্বিধা করবেন না, ধর্মের প্রতি আন্তরিক আকর্ষণ অতচ বাহ্যিক দিক দিয়ে নয়,এটাই তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট। বিজাতীয় ধর্মের প্রতি তার সহজাত আকর্ষণ প্রবলতর। ক্ষেত্র বিশেষে জীবন ও জীবিকার স্বার্থে পরধর্ম ও আচরণ গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু জাতক যা কিছুই করুন না কেন, কখনও হুজুগে মেতে, সঠিক তত্ত্ব ও তথ্যের অনুসরণ না করে স্বীয় মতবিরুদ্ধ কিছু করবে না। অবশ্য সঠিক তত্ত্ব ও তথ্যানুসন্ধানে তার জীবনের প্রচুর মূল্যবান সময় ব্যয়িত হবে। জাতকের সর্বপ্রধান ত্র“টি নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসের অভাব, ফলে অনেকবারই তার জীবনে নৈরাশ্য ও নৈরাজ্য দেখা দেবে। এ বিষয়ে যথেষ্ট সর্তক হন, আত্মপ্রত্যয়ী হন। সুদৃঢ় আত্মবিশ্বাস ও অটুট মনোবল ব্যতীত কেউ জগৎপ্রসিদ্ধ হতে পেরেছে, তার প্রমাণ অদ্যাবদি মেলেনি। তাই নিজর্কমে বিশ্বাস ও যোগ্যতার উপর নির্ভর করতে হবে, নতুবা ভীরুতা, কর্মবিমুখতা জীবনকে অবনত করে ফেলবে।
জাতক আত্মাভিমানী, অনুভুতি প্রবণসম্পন্ন। তার ব্যক্তিগত সম্মানে অপরের হস্তক্ষেপ আদৌ সহ্য করবেন না। কখনও কারও দ্বারা সম্মানহানি ঘটলে, তা যত তুচ্ছই হোক না কেন প্রতিশোধ না নেওয়া পর্যন্ত স্বয়ং ভগবানও এঁকে শান্ত করতে পাবেন না। হয়ত হাজার বছর পরে খুঁজলেও এই প্রতিশোধ গ্রহণ স্পৃহা তার মনের গহীন কোণে রীতিমত শিকড় গেড়ে বসে থাকবে। অবশ্য ইনি প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন, তবে তা একান্তই ভদ্রভাবে। অশিষ্টাচারের প্রতিকার না করা রুচিবহির্ভূত। বিশৃঙ্খলা ইনি সহ্য করতে পারবেন না। স্থির আদর্শ ব্যতিরেকে অন্য কিছু তার মনে স্থান পাবে না। সমাজ-সামাজিকতা, ধর্ম-কর্ম সব বিষয়েই ইনি স্থির নিয়মের পক্ষপাতী। সংস্কারাভিলাষ তার সহজাত চারিত্রিক বৈশিষ্ট ফলে ইনি পুরাতনকে পরিত্যাগ করে সববিষয়ই সম্ভব হলে নিজের মনমত গড়ে নিতে আগ্রহী হবেন। এজন্য অনেকের বিরুদ্ধাচরণ ও শত্র“তার শিকার তিনি হতে পারেন জীবনে কয়েকবার। তবে তার বিশেষত্ব হলো কর্মসম্পাদনে বা কর্তব্যসাধনে যতই বাধাগ্রস্থ হবেন, ঐশ্বরিক বলে ততই বলীয়ান হয়ে ততোধিক উৎসাহ সহকারে সে কাজ শেষ করতে ইনি তৎপর হবেন। শত বাধা-বিঘœ হেলায় লঙ্ঘন করে উন্নতির চরমতম সোপানে ইনি আরোহণ করতে পারবেন। কাজ-স্বীয় কর্তব্য,যত দুঃসাধ্যই হোক না কেন, পশ্চাৎদপদ না হয়ে অধ্যবসায় ও ধৈর্যসহকারে ইনি সম্পাদন করতে চেষ্টিত হবেন এবং অন্তে সাফল্য লাভ করবেন। চাতক খুব সর্তক হবেন। অর্থ সঞ্চয়ের প্রতি কিছু তার আদৌ আগ্রহ থাকবে না। পরবর্তীবারের আহর্য সঞ্চয় বিষয়েও ইনি নিস্পৃহ হবেন। স্বীয় যোগ্যতারও শক্তি প্রভাবে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়ে দেশ ও দশের কাছে সুখ্যাতি লাভের আকাঙক্ষা তার প্রবল। সর্ব সাধারণের প্রিয়ভাজন হওয়াই তার কাম্য। অন্যের প্রভাবে পড়ে স্বীয় ব্যক্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে কোন কিছু করা তার প্রকৃতিবিরুদ্ধ। এই ব্যক্তিত্ব রক্ষার প্রবল আগ্রহ তাকে ক্ষেত্রবিশেষে অসামাজিক করে তুলতে পারে এবং নিকটজনের সুখ-দুঃখে উদাসভাবাপন্নও করে তুলতে পারে। অতএব সব ব্যপারেই আত্মাভিমান ও গোঁড়ামি যথাসাধ্য পরিহার করতে চেষ্টিত হন, কারণ অসামাজিক জীবন কখনও সুখের হতে পারে না। মানুষ সমাজবদ্ধ কখনও হতে পারে না। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব, সামাজিকতা মেনে চলাই তার নিয়ম। একক ভাবে চলে জগতে প্রসিদ্ধি লাভ করা যায় না। সমষ্টির স্বার্থেই মানব-জীবন ব্যক্তিস্বার্থে নয়।
ভোগবিলাসের প্রতি অন্তঃকরণে ক্ষণতম আশা জাগরুক থাকলেও ইনি সব বিষয়ে মিথ্যাচারের পক্ষপাতী। গাম্ভীর্য তার সহজাত গুণ, কোন বিষয়েই স্বীয় নষ্ট না হয়, তৎপ্রতি তার সবিশেষ লক্ষ্য থাকবে। সেজন্য পোষাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ ও কথাবার্তায় ইনি সংযত হবেন এবং ততোধিক জ্ঞানী, গুণী ও ধীর-স্থির পরিণত বয়সের লোকের সঙ্গেই সমধিক মেলামেশা করবেন। বস্তুতঃ তার হাস্য-পরিহাস, কথাবার্তা, আচরণ ইত্যাদিতে কোনরূপ চাপল্য বা চাঞ্চল্য প্রকাশ পাবে না কখনও। এতে গাম্ভীর্যের ভাবই পরিস্ফুট থাকবে। ছোটখাটো ব্যপারের চেয়ে বৃহৎ ব্যপারের প্রতিই তার আগ্রহ প্রবলতর। অপরের দুঃখে চিত্ত দ্রবীভূত বা বিগলিত হলেও ক্ষেত্রবিশেষে দু’একজনের দুঃখ-কষ্টে ইনি কোনরূপ ব্যথিত হবেন না। তবে অন্যান্য সকলের দুঃখ-কষ্ট যথাসাধ্য দূর করতে সচেষ্ট হবেন। যাতে দশজনের-সর্বসাধারণের হিতসাধন হয়, জগতের প্রতিটি সভ্য সুখী হতে পারে, তৎপ্রতি তার লক্ষ্য থাকবে। স্বজন-প্রীতি তার প্রবল। আত্মীয়-স্বজনের জন্য যে কোন কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকারে ইনি কুন্ঠিত নন। তবে এই ত্যাগ-তিতিক্ষা, কষ্ট স্বীকার ইত্যাদির সঙ্গে কিঞ্চৎ পরিমাণে হলেও স্বীয় স্বার্থ জড়িত থাকবে। দেওয়া আর নেওয়া এটাতেই তার আকর্ষণ। তিনি যেমন অন্যের উপকার করতে চান অন্যকে ভালবাসতে চান, তেমনি আশা করেন অন্যেও তার যথাসাধ্য উপকার করুক, যথাসাধ্য ভালবাসুক। তাদের কোন সহানুভূতি পেলে ইনি যথেষ্ট মনোবেদনা ভোগ করবেন এবং তজ্জন্য নিরন্তর অশান্তি ভোগ করবেন। ফলে জাতকের স্বাস্থ্যভঙ্গ বা কর্মশৈথিল্য আশাও বিচিত্র নয়; পরিণামে হয়ত জীব জগৎ ও সাধারণের প্রতি তার বিদ্বেষ সংযমী হওয়া কর্তব্য। মনকে উদার ও কপটতাবর্জিত করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করুন। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির উপকার সাধন জীবমাত্রেরই স্বাভাবিক ধর্ম কেউ যদি তার প্রতিবেদন প্রত্যুৎপকার সাধন জীবমাত্রেরই স্বাভাবিক ধর্ম। কেউ যদি তার প্রতিদান প্রত্যুৎপকার না করে, না দেয় কীই-বা এমন ক্ষতি তাতে। জাতকের ব্যক্তিত্ববোধ অন্ত্যত প্রবল। নিজের কাজ বা কর্তব্যে অপরের কাজে হস্তক্ষেপ করতেও ইনি আগ্রহী নন আদৌ। বস্তুত সবার সঙ্গে মিলে কাজ করা তার প্রকৃতি বিরুদ্ধ। এজন্য তার ব্যবহার প্রকৃতি বিরুদ্ধ। এজন্য তার ব্যবহার, আচার-আচরণ সাধারণের চক্ষে এক অন্যতর নতুন দৃষ্টিতে প্রতিফলিত হবে।
৪# মকর/কর্মদক্ষতা ঃ
(মকর)ভবিষ্যৎ উন্নতিহীন ও বৈশিষ্ট্যহীন কাজ তার বড়ই অপ্রিয়। যে কাজে ভিতর-বাহির দু’দিকেই উন্নতি প্রবল, সে সব কাজেই এর আগ্রহ সমধিক। শৃঙ্খলা নিয়মানুবর্তিতার সঙ্গে যে সব কাজে সম্পন্ন করা প্রয়োজন, সে সব কাজ ইনি মনোনিবেশ সহকারে একান্ত আগ্রহের সঙ্গে করতে সচেষ্ট হবেন। সাহিত্য, বিজ্ঞান, রাষ্ট্র, সমাজ প্রভৃতি বিষয়-চর্চা ও গঠন বিষয়ক কার্যেও তিনি যধেষ্ট যোগ্যতার পরিচয় দেবেন। জাতক উর্ধ্বদৃষ্টিসম্পন্ন, কি করে কোন ভাবে জগৎ-প্রসিদ্ধ হওয়া যাবে, কিভাবে সাধারণের উপর প্রতিষ্ঠা লাভ করা যাবে, এ চিন্তা সর্বদাই তার মনে জাগরুক থাকবে। অতি বৃহৎ দায়িত্বপূর্ণ ব্যাপারে অগ্রসর হয়ে স্বীয় কৃতিত্বের পরিচয় প্রদান করে ইনি প্রসংশাভাজন হবেন। রাজনীতি ,সাহিত্য, বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ক চিন্তাধারার কাজে কিংবা সাধারণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়ে ইনি কৃতিত্বের পরিচয় দেবেন। অপরের অধীনস্থ হয়ে কর্মে সম্পাদনে তার আদৌ আগ্রহ থাকবে না। পিতা-মাতা বা নিতান্ত ঘনিষ্ঠ স্বজনের সংসর্গে কর্মে বিঘেœাৎপাদন যোগ রয়েছে। এতে অহেতুক অর্থক্ষয় ও অশান্তি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে গুপ্ত ও প্রকাশ্য শত্র“ও দু’চারজন বর্তমান। তারা সর্বদাই কাজকর্মে বিঘœ ও বিবাদ সৃস্টির চেষ্টা নেবে। জাতকের জীবনের প্রথম ভাগে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি-অবনতি মিশ্রিত। শেষার্ধে সাতিশয় উন্নতির যোগ বর্তমান। আত্মপ্রত্যয়, সংশয়শূন্য মন ও লোকলজ্জা পরিহারে সচেষ্ট হলে জাতকের সবিশেষ উন্নতি ও প্রতিষ্ঠা লাভ সুনিশ্চিত-এটা স্পষ্টতই বলা চলে।
৫# মকর/কর্মক্ষেত্র ঃ
কূটনীতি ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে াাপনারা দক্ষতা দেখাতে পারেন। ব্যবসা শিল্প সম্পর্কিত পেশায় আপনারা সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ কজরতে পারেন। এক কথায় অর্থ সংক্রন্ত কাজই আপনাদের প্রিয়। সংগীত আপনাদের আরেক আকর্শণীয় ক্ষেত্র।
৬# মকর/ভাগ্য ঃ
অর্থোপার্জনের ব্যাপারে কারো সাহায্য পাবার বিড়ম্বনা মাত্র। স্বীয় যোগ্যতাবলেই সবকিছু আদায় করে নিতে হবে। অর্থ আয়ের কৌশল , সংরক্ষণ ও ব্যয়ের বিষয়ে হিসাবে তিনি বেশ সূক্ষè জ্ঞানের পরিচয় দেবেন। আর্থিক সচ্ছলতা আসতে পারে হিসাবে হলে। উত্তরাধিকারসূত্রে উল্লেখযোগ্য কিছু পাবার সম্ভাবনা দেখা যায় না। যাও বা পেতে পারতেন, নিজে এমন কিছু করবেন জীবনে, যার জন্য ন্যায্য প্রাপ্তিতেও অংশীদারিত্বে দাবি করতে নিস্পৃহ হবেন। অর্খকড়ির ব্যাপারে লাভ অপেক্ষা ক্ষতির মাত্রা সমধিক। ঋণদান বা গ্রহণ-দুটোই অকল্যাণকর। কর্মক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। শ্রম অনুপাতে আয় সর্বদা সমান হবে না। তবে শেষ পর্যন্ত ইনি সর্ব বিষয়ে উন্নতি উন্নতি লাভ করবেন। এটা সুনিশ্চিত।
৭# মকর/পরিণয় ঃ
যেসব জাতক-জাতিকার জন্মতিথি যে কোন মাসের শুক্লা পঞ্চমী বা কৃষ্ণা দ্বাদশী অথবা জন্মমাস জৈষ্ঠ, শ্রাবন, আশ্বিন বা মাঘ, এদের সঙ্গে বিবাহ হলে সুখলাভের আশা করা যায়। তবে বিবাহাদি ব্যপারে অভিবাবকদের সঙ্গে মতান্ত-মনান্তর হবেই। দাম্পত্যজীবন ততটা সুখকর নয়। অবশ্য সুশিক্ষা, সুচিন্তিত জীবন, ধৈর্য্য কিছুটা সুখপ্রদ হতে পারে। বিবাহ যদি অপেক্ষাকৃত বেশী বয়সের ছেলে বা মেয়ের সঙ্গে হয, তাহলে অবশ্য সুখলাভ যোগ বর্তমান। দম্পতিযুগল উভয়েই সন্দিগ্ধপরায়ণ হওয়ায় সাময়িক অশান্তি মাঝে মাঝেই দেখা দেবে। এজন্য উভয়ের যথেষ্ট উদার হওয়া প্রয়োজন এবং যথারীতি সুশিক্ষা, সুচিন্তা, সারল্য ও সৎসঙ্গ প্রয়োজন।
৮# মকর/পরিবার ঃ
অল্পবয়সে পিতা বা মাতা কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হতে পারেন। উভয়ে জীবত থাকলেও কারও দ্বারা সাংসারিক অশান্তি আশা বিচিত্র নয়। এমন কি মত-পার্থক্য হেতু উভয়ের নিকট হতে দূরদেশে অবস্থান করাও বিচিত্র নয়। ভ্রাতা-ভগ্নী ও ঘনিষ্ঠ সংশ্রবও দুঃখদায়ক হতে পারে। ফলে তাদের উপর একটা বিরক্তিভাব এসে পড়াও অসম্ভব নয়। অবস্থাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠিত আত্মীয়-স্বজনও জাতককে øেহপূর্ণ দৃষ্টিতে দেখবে না। বস্তুতঃ আত্মীয়াদি দ্বারা কোনরূপ সাহায্য-সহযোগিতার আশা নেই। সন্তানাদির দিক দিয়েও শান্তি অপেক্ষা অশান্তি যোগই সমধিক পরিলক্ষিত হয়। সাংসারিক বিশৃঙ্খলায় অথবা স্বীয় ঔদাসীন্যে সন্তানাদির শিক্ষাজীবন বিঘিœত ও বিলম্বিত হবে। সন্তানাদির মধ্যে কারও জন্য এমন কোন কারণ উপস্থিত হবে, যার জন্য সুনাম ও সুনামহানির প্রবল সম্ভবানা বর্তমান থাকবে। সবাই তাকে ভালবাসবে, শ্রদ্ধা করবে।
আত্মসম্মান জ্ঞান জাতকের প্রবল। সম্মানহানির বিন্দুমাত্র কারণ উপস্থিত হলেও ইনি হঠাৎ রাগান্বিত হয়ে এমন কিছু একটা করে বসতে পারেন। যাতে সাধারণ্যে তিনি নিন্দাভাজন হতে পারেন। তবে জাতক বিশেষ ক্রোধী নয়, কিন্তু একবার রেগে গেলে তার জ্ঞান ও শিষ্টাচার সবই লোপ পেয়ে যাবে। তখন তার কুৎসিত আচরণ লোকের বিস্ময়ের উদ্রেক করবে। এ সব চিত্তবৈকল্য দূর করার জন্য সদগ্রস্থ পাঠ, সৎ দৃষ্টান্তে অনুসরণ এবং ধীরস্থির মনোভাবাপন্ন হওয়া কর্তব্য।
জাতক পরাধীনতার পক্ষপাতী নন, স্বাধীনভাবে স্বমতে সর্ববিধ উচ্চতর কর্মসম্পাদনেই তার সমধিক আগ্রহ বর্তমান। স্বমতবিরুদ্ধ কোন কাজে এর সমর্থ থাকবে না বা সদয়ে যোগদান করে ইনি মনোকষ্ট উৎপাদন করবেন না। এইরূপ গোঁড়ামির জন্য তাকে অতি অল্প সময়েই সর্বৃসাধারণের অপ্রিয় হতে হবে এবং ফলে জাগতিক ব্যপারে তার বহূ শত্র“ সৃষ্টি হবে। ফলে সুযোগ-সুবিধার উৎকর্ষ সাধনের জন্য সর্বদা সংযত হয়ে চলা কর্তব্য। সুশিক্ষা, সৎসংগ জাতকের চারিত্রিক উৎকর্ষসাধনের সহায়ক। পক্ষান্তরে সংসগ বিচার সঠিক না হলে ইনি অসৎ পরিবেশ ও সঙ্গপ্রভাবে অবনতির নিুতম স্তরেও নেমে পড়তে পারেন। অতএব সাবধান। অতীব বিচার বিবেচনাসহকারে সুসঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য সর্বদা চেষ্টা করবেন। অবশ্য ইনি বুদ্ধিমান, যদি সংযত হয়ে কোন মহল জীবকল্যাণকর কর্মে প্রবৃত্ত হন, সাফল্যের যাদুর কাঠি তার হাতের মুঠোয় আসতে কালবিলম্ব করবে না।
# কর্মদক্ষতা ঃ (মকর রাশি)
ভবিষ্যৎ উন্নতিহীন ও বৈশিষ্ট্যহীন কাজ তার বড়ই অপ্রিয়। যে কাজে ভিতর-বাহির দু’দিকেই উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল, সে-সব কাজেই এর আগ্রহ সমধিক। [করতেহবে]।
৬# মকর/ভাগ্য ঃ
আকস্মিক অর্থোপার্জন যোগ প্রবল। পক্ষান্তরে কখনও কখনও উপার্জনে কম-বেশী হতে পারে। এমনকি, ক্ষেত্র বিশেষে কার্যহানিও হতে পারে। সব বিষয়ে উপার্জনের ব্যপারে স্বীয় যোগ্য্রতা ছাড়াও বন্ধুবর্গ সাহায্য করবে। কোন উচ্চতর প্রতিষ্ঠান বা ধনী ব্যক্তির নিকট থেকে কৃতকর্মের পুরষ্কারস্বরূপ দেবযোগে অর্থপ্রপ্তিযোগ বর্তমান। পরিশ্রম হিসাবে উপার্জন সর্বদা একভাবের হবে না। কখনও অল্প পরিশ্রমে আশারিক্ত উপার্জন যোগ, আবার কঠিন পরিশ্রমে অল্প আয় যোগ বর্তমান। এরূপ বিচিত্র ব্যাপার বেশ কয়েকবারই জাতকের জবিনে সংঘটিত হবে। অর্থকরী কোন বিদ্যার চর্চায়ও অর্থপ্রাপ্তি যোগ। কোন বিশেষ বিপরীত লিঙ্গীর কাছ থেকেও কিছু অর্থাদি প্রাপ্ত হবেন। পক্ষান্তরে কোন বিশেষ আত্মীয়া বা পরনারীর জন্য আকস্মিক অর্থনাশ হওয়াও বিচিত্র নয়। অর্থকড়ির বিষয়টা একটা কঠিন সমালোচনার বিষয় হয়ে সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। স্বীয় যোগ্যতায় প্রচুর আয় হবে এবং সঞ্চয়ও হবে তদ্রুপ; কিন্তু খেয়ালীপনার জন্য যদি সঞ্চিত অর্থ নিশেষে ব্যয় করে ফেলেন, তাতেও বৈচিত্র্য নেই। এ বিষয়ে সতর্ক হন।
৭# মকর/পরিণয়ঃ
বৈবাহিক ক্রিয়াটা আকস্মিক এবং অচিন্তণীয়ভাবে ঘটবে। দৈব- প্রতিকুলতয় আকস্মিক বিচ্ছেদও হতে পারে দাম্পত্য-জীবনে। বিবাহ ব্যাপারে ও বিবাহিত জীবনে ঘটনা-বৈচিত্রের প্রচুর সমাবেশ দেখা যায়। যাহোক, ভালমন্দ যা কিছুই ঘটুক না কেন, দাম্পত্য জীবন অপরের সমালোচনার বিষয় হয়ে থাকবে। দম্পতি যুগল যদি একটু তৎপর হয়ে মানসিক মিল বজায় রাখেন, পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিপূর্ণ হন, তা হলেই সংসার জীবন সুখময় হবে এবং উভয়ে সবার আদর্শস্থানীয় হবেন। কোন বাধা-বিঘœ তার ব্যতিক্রম করতে পারবে না। গুপ্ত প্রণয়সংক্রান্ত কোন ব্যাপারেও দাম্পত্য জীবনে অশান্তি এনে দিতে পারে। নিজের প্রভূত্বপ্রিয়তা, একগুয়েমি অশান্তির কারণ হতে পারে। এসব দোষত্র“টি বর্জিত হয়ে চলতে শিখুন। তবে যাদের জন্মতিথি শুক্লা দ্বাদশী বা কৃষ্ণা পঞ্চমী অথবা যাদের জন্মমাস আষাঢ়, ভাদ্র কার্তিক বা ফাল্গুন, এদের সঙ্গে বিবাহ হলে দাম্পত্যজীবনে সুখাধিক্যের সম্ভাবনা প্রবল।
৮# মকর/পরিবার ঃ
জীবনে স্বেচ্ছায় কোন গুপ্ত বা আধিভৌতিক বিষয়ে জড়িত হয়ে সংসারের প্রতি বিরাগভাজন হয়ে বিচ্ছিন্ন দূরে থাকা অসম্বভ নয়। তখন প্রচ্ছন্ন ভাবে লোক চক্ষুর আড়ালেই থাকতে চেষ্টিত হবেন। পিতা-মাতা কোন একজনের মৃত্যু যোগ পরিলক্ষিত হয়। এতে সংসারে কোনরূপ বিপর্যয়ও এসে পড়তে পারে। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সৌহার্দ থাকবে। তবে তন্মধ্যে দু-চারজনের সঙ্গে সবিশেষ ঘনিষ্ঠতা জন্মাবে এবং তাদের জন্য মাঝে মাঝে ঝঞ্ঝাটও সৃষ্টি হবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধহেতু বিচ্ছেদ হওয়াও অসম্ভব না। সন্তানাদি অল্প হবারই সম্ভাবনা, তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতে মতবিরোধহেতু বিচ্ছেদ হওয়াও অসম্ভব নয়। সন্তান না হলে অন্য কাউকে পালক বা পোষ্যপুত্ররূপে গ্রহণের সম্ভাবনা, কিন্তু এ ব্যাপারেও জাতককে প্রচুর অপবাদগ্রস্থ হতে হবে। জাতক খুব øেহপ্রবণ, ইনি যাকে øেহচক্ষে দেখবেন, তাকে তার অদেয় কিছুই থাকবে না। এমনকি, তার জন্য ইনি স্বয়ং প্রাণ বলীদান করতেও কুন্ঠিত হবেন না। তবে এমন ক্ষেত্রেও আকস্মিক কোন ব্যাপারে বিচ্ছেদ হতে পারে।
৯# মকর/স্ব্যাস্থ্য ঃ
কঠোর পরিশ্রম, অনাচার-অত্যাচার, নিদ্রাহীনতা, অযতœ-অবহেলায় শরীর ভেঙ্গে পড়তে পারে। তবে বিশেষ এবং কিভাবে কোন নিয়মে চললে স্বাস্থ্য ভাল থাকবে, তা তিনি বুঝে উঠতে পারবে না স্বাস্থ্যের এ বিচিত্র ভাবটা জাতকের আজীবন বেঁচে থাকবে। জাতকের মনোবল অটুট ও প্রবল । কোনরূপ রোগব্যাধি তার এই মানসিক বলের তারতম্য ঘটাতে পারবে না। অনেক ক্ষেত্রে বিনা ঔষধ ও চিকিৎসায়ই তিনি আরোগ্য হবেন। তবে কোন সময়ে তার জন্য মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। জাতকের নাড়িসমূহ দুর্বল, রক্তচলাচল অনিয়মিত। হঠাৎ কোন দৈব দুর্ঘটনায় কষ্ট পেতে পারেন। উপযুক্ত স্থানে বসবাস, নিয়মিত পান-ভোজন, মন প্রফুল্ল রাখা, দুশ্চিন্তামুক্ত হওয়া, খেলাধূলা, সৎসঙ্গ, সদগ্রন্থ পাঠ সুস্বাস্থ্যের কারক।
১০# প্রণয় ঃ
যেসব জাতক জাতিকার জন্মতিথি শুক্লা দ্বাদশী ও কৃষ্ণা পঞ্চমী অথবা জন্মমাস আষাঢ়, কার্তিক বা ফাল্গুন এসব ব্যক্তির সঙ্গে অকৃত্রিম বন্ধুত্ব হবে। জাতক সরলমনা, সকলের সঙ্গে মেলামেশা করতে ভালবাসবে। বন্ধু যোগ প্রবল। বন্ধুজনদের মধ্যে ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সবাই থাকবে; সকলের সঙ্গেই ইনি সানন্দে মিলিত হবেন। ধার্মিক, রাজনীতিবিদ, আইনবেত্তা, উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি-এরা তার জাতককে সব বিষয়ে সাহায্য করবেন। কর্মক্ষেত্রেও সহকর্মী ও অধিনস্থদের মধ্য থেকেও তার বন্ধুলাভ হবে। কিন্তু কোন আকস্মিক ব্যাপারে বিচ্ছেদ হওয়াও বিচিত্র নয়। এমনকি কোন বন্ধু শত্র“সাধনও করতে পারে। শিক্ষিত বন্ধুবর্গের মধ্যেও কেউ তার প্রাণের বৈরী হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী দ্বারা সম্মানহানি যোগ বিদ্যমান। অন্যান্য সবার সঙ্গেই ভাল সম্পর্ক থাকবে।
১১# বিবিধ ঃ
জাতকের ভ্রমণ যোগ প্রবল। খেয়ালবশতঃ কখনও স্থান পরিবর্তন ওবিদেশ পর্যটন যোগ বর্তমান। কখনও ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজনে বা বন্ধুদের সনির্বন্ধ অনুরোধে জল ও স্থলপথে ভ্রমণ যোগ বর্তমান। দূরবর্তী তীর্থস্থান জলপথ ভ্রমণ যোগ দেখা যায়। চির-প্রচলিত ধর্মমত মানতে ইনি আগ্রহী নন, ইনি চাইবেন সবকিছু ভেঙ্গে নতুনভাবে গড়ে তুলতে। তজ্জন্য সাধারণে তাকে ধর্মবিরোধী বা স্বেচ্ছাচারী বলেও মনে করতে পারে। ধর্ম বা যে কোন বিষয়ের গুপ্ত রহস্য-উদঘাটনের প্রতি জাতকের আসক্তি প্রবল। সদগুরুর কৃপায় ইনি সম্মোহন, আধিভৌতিকতা, হঠযোগ, তন্ত্র-জ্যোতিষ- যে কোন গুপ্তবিদ্যায় সবিশেষ পটু হবেন এবং তাতে প্রতিষ্ঠা লাভ করবেন। অবশ্য গুরুর অভাবে নিজে খেয়ালমাফিক এসব করতে গেলে বিপদগ্রস্থ হতে পারেন। বাতব্যাধি,¯œায়ূশূল, ইন্দ্রিয়দৌর্বল্য, মনোবিকার এসব রোগ বিষয়ে সর্তক হউন।
১২# বর্ণ ঃ
নানা রূপ মিশ্র রঙ প্রভৃতি রকমারী রঙ জাতকের প্রকৃতই আনন্দদায়ক ও সৌভাগ্যবর্ধক। অসুস্থ অবস্থায় পিঙ্গল বা লাল রঙ স্বাস্থ্যের পক্ষে হিতকর।
১৩# মকর রাশি (শনি) লক্ষণ ঃ
*নারী ভাবাপন্ন, বাড়ির চাকরানির মতো, তারউগ্রতা থাকলেও তা ব্যর্থ হয়।
*ঈশ্বরবাদী, ক্ষেত্রবিশেষে সম্পূর্ণ বীপরিত। প্রশংসাপ্রিয়, চাটুকারিতা পছন্দ করতে পারে। জ্ঞান বিতরণের ইচ্ছে আছে। শরীর কৃশ। ব্যয়শীল, গর্বিত।
১৪# মকর রাশি (শনি) কি চায় ঃ
নীলদেহী গ্রহ, কোমরে বলয়, শীতল, ক্রুর চেহারা। শনির লক্ষণ হল নিরাশা। জীবনে বারবার নৈরাশ্য আনে এই গ্রহ। শনি বলবান হলে সেই জাতক-জাতিকা শক্তির উপাসক হয়। শনি আধ্যাত্মপদের প্রদর্শক, জীবন থেকে মহাজীবনের পথে এগিয়ে নিঢে যায়, কিন্তু মনের অতৃপ্তির নিবৃত্তি করে না।
১৫# মকর রাশির জন্মকথা (গ্রীক)
টাইফুন ছিল ভয়ংকর এক প্রতিহিংসাপরায়ণ দানব। তার অত্যাচারে দেবতারা যারপরনাই অতিষ্ঠ। তারশক্তির সঙ্গে আপাত শক্তিতে পেরে উঠছিল না স্বর্গের দেবতারা। তাই আত্মরক্ষা করে চলাই তারা সমীচিন মনে করছিল। যদিও তার সামনে পড়লে খুব কম দেতাই জান নিয়ে পালাতে পারত। কারণ টাইফুনের ক্ষিপ্রগতির কাছে হার মানত তারা। প্যান ছিল শিংওয়ালা দেবতা। একদিন প্যান ঘটনাক্রমে পড়ে যায় টাইফুনের সামনে। প্যান জানে আজই তার জীবনের শেষদিন! তবুও ভাবে একবার শেষ চেষ্টা করে দেখা যাক! ঝাঁপিয়ে পড়ে পানিতে! টাইফুনও পিছু নেয় প্যানের। টাইফুনের সঙ্গে গতিতে পাবে কি করে প্যান!যখন প্রায় ধরে ফেলে তখন প্যান তার শরীরে নিচের অংশকে মাছে রূপান্তরিত করে ফেলে! দেয় জোরসে সাঁতার। মাছের গতির কাছে পরাস্ত হয় টাইফুন। বেচেঁ যায় প্যান। তার ঐ অর্ধেক ছাগল আর অর্ধেক মাছ চরিত্র হচ্ছে আজকের মকর।
১৬# রতœ ঃ
হীরক, প্রবল, ধুম্রক্ষেত্র বৈদুর্যমণি প্রভৃতি রতœধারণ ভাগ্য ও স্বাস্থ্যের উৎকর্ষসাধক। অসুস্থ অবস্থায় প্রবাল বা গোমেদ রতœধারণ করুন।
৩০# বৈশিষ্ট ঃ (মৃন্ময়) উচ্চকাঙ্খী, অধ্যবসায়ী, কুটনীতিক, সংরক্ষিত।
৩২# মকর রাশি (শনি) খাদ্য ঃ
সাধারণ উত্তেজক ও গরম খাবার হিতজনক। শৈতদ্রব্য ক্ষতিকারক। নিরামিষ খাদ্যও উপাদেয়।
৩৩# মকর রাশি (শনি) ব্যাধি ঃ
প্লীহা, পক্ষাঘাত, যাবতীয় বাত, বধিরতা, ক্লীবতা, উদরী, অজীর্ণ, নাড়ীর রোগ, পায়ের বৈকল্য, শ্বাস, হিক্কা, বায়ূরোগ, পাগল বা পাগলামী।
৩৪# মকর রাশি (শনি) ঔষধি ঃ
শ্বেবেড়েলার মূল, শমীবৃক্ষ, বিষাক্ত তরুলতা।
#বায়ওকমেকিঃ
৩৮# মকর রাশি গুণ ঃ
মকরের বড় গুণ এরা আন্দাজে কোনো কাজ করে না বা করতে চায় না। সুনিদৃষ্ট ফল চায়। কোনো কাজে নামার আগে সুচিন্তিভাবে সে কাজের পরিণাম যাচাই করে ২তবে নামে। যে সব জায়গায় প্রতিযোগিতা করে নিজের যোগ্যতাবলে উপরে ওঠার সুযোগ আছে এদের টার্গেট সে সব জায়গাতে প্রবেশ করা। বস হিসাবে এরা দারুণ সফল। যদি এরা ভাবে এ কাজটি করলে সমাজের মঙ্গল যত বাধাই আসুক এরা সে কাজের শেষ দেখবেই। এরা প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে না। গভীর চিন্তাশীল মানুষ। কাজের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক আগেভাগেই বুঝে ফেলতে পারে। শিক্ষা এবং জ্ঞানের প্রতি মকরের আকর্ষণ দুর্নিবার।
৩৯# মকর রাশি দোষ ঃ
রসিকতা এদের পছন্দ। অন্যরাও পছন্দ করে এদের রসিকতা। অনেক সময় এ রসিকতা ভাড়ামোর পর্যায় চলে যায় এবং সে হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক ব্যক্তিত্ব এবং সম্মান। এরা মুহূর্তেই মুড পরিবর্তন করতে পারে এবং মিথ্যাকথাকে নিখুঁত ভাবে সত্য বানিয়ে ঠকাতে পারে। এরা মিথ্যা বললে ধরা খুব কঠিন বিধায় মিথ্যা বলে অবলীলায়। এরা সব সময় একটা অস্থিরতায় ভোগে। অন্যের কাছে নিজেকে সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। ফলে অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়। নিজের বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার পরিজনের বাইরে অন্য সবার সঙ্গে এরা নির্দয় আচরণ করে। এদের একগুঁয়ে স্বভাব অনেক সময় অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৪১# উপদেশ ঃ
মকর কাজে একগুঁয়ে। যে কোনো কাজে সফল হতে চায় বলে ব্যর্থতা তাকে ভীষণ কষ্ট দেয়, যা অনেক সময় সহ্য করতে পারে না। ফলে ভয়ানক সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হয় না। এ ব্যাপারে সবিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: