News Updates

Home » আপনার রাশি » জ্যোতিষ জ্যোতিষ খেলা (বারো রাশির সাধারন ফল: বৃশ্চিক রাশি)

(২৩শে অক্টোবর-২১শে নভেম্বর)[অগ্রহায়ণ]
বৃশ্চিক রাশিতে জন্মগ্রহন করলে মানব বহু ধনভোগী, বহুজন দ্বারা সমাদৃত ও পরিবেষ্টিত হয়ে থাকেন। তার ভাগ্যবতী পতœী লাভ হয় এবং সেই ব্যক্তি বুদ্ধিবিশিষ্ট, রাজসেবানুরক্ত, পরার্থলাভের জন্য সর্বদা উদ্যোগ পরায়ণ, কঠিন হূদয়বিশিষ্ট ও অতিশয় বলশালী হয়ে থাকেন।
২# বৃশ্চিক কেমন
৩# প্রকৃতি ঃ
জাতক অত্মনির্ভরশীল, কর্মপটু, যশাকাক্সক্ষী, কল্পনাপ্রবণ, গাম্ভীর্যপূর্ণ হয়ে থাকেন। তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আত্মপ্রত্যয়ী নিজ কর্মের প্রতিই তার একান্ত বিশ্বাস। অন্য কারও পরামর্শ বা যুক্তি-প্রমাণে স্বীয় কর্তব্য-বিচ্যুত হবেন না। জাতকের মনোভাব কখনও অন্যে উপলব্ধি করতে পারবে না । কারো কাছেই তিনি স্বীয় মনোভাব ব্যক্ত করবেন না। জাতক পরম কষ্টসহিষ্ণু ও অধ্যবসায়ী। কাজকর্ম করার ক্ষমতা তার যথেষ্ট বর্তমান। নিজ অভিলাষ পুর্ণ করার জন্য ইনি কঠোরতম পরিশ্রম করতেও পশ্চাদপদ হবেন না। জাতক স্বীয় অধ্যবসায় প্রভাবে স্বীয় উদ্দেশ্য সাধন করবেন। ক্ষেত্রবিশেষে আবেগভরে কাজ করার জন্য ইনি বিশেষ ভূল ও অভদ্র আচরণ করে বসবেন। এ বিষয়ে সতর্ক হোন। সৌন্দর্যপ্রিয় এ জাতকের পক্ষে মানবিক, নৈসর্গিক সর্ববিধ সৌন্দর্যই দাগ কাটবে গভীরভাবে। কাজকর্ম সুপরিপাটি ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার প্রতি এর আগ্রহ থাকবে এবং তা থেকে ইনি সুনাম অর্জনে চেষ্টিত হবেন। এই খ্যাতিলাভের আকাঙক্ষা কখনও প্রবলতর হয়ে কোনরূপ বিভ্রন্তিমূলক কাজ করে বসাও তার পক্ষে অসম্ভব নয়। এ বিষয়ে সর্তক হোন, সর্বোপরি জীবন অবনত না হয়।
অপরে কোন মতামত বা যুক্তি-পরামর্শ ইনি কখনও গ্রহণ করবেন না। কারও কথা এর সহ্যই হবে না। ইনি প্রকৃতই অসহিষ্ণু। বাক্য-প্রভাবে স্বীয় মতাদর্শ প্রচার করে সর্বসাধারণকে তৎপ্রতি আকৃষ্ট করা, আয়ত্ত করাতেই তার ঝোঁক প্রবল। অবশ্য পারিপার্শ্বিক জন তার বাক্যে অভিভূত হয়ে তার মতানুসারী হবে। জাতক সহজেই রাগান্বিত হয়ে ওঠেন। কেউ কোনরূপ বিরূদ্ধাচরণ বা ক্ষতিজনক কোন কাজ করলে যতক্ষণ পর্যন্ত তার প্রতিশোধ না নিতে পারেন, ততক্ষণ শান্ত হবেন না। অবশ্য এই প্রতিশোধ গ্রহণের ইচ্ছা তার বাহ্যিক লক্ষণে প্রকশ পাবে না। প্রত্যক্ষ সংযমের চেয়ে পরোক্ষে প্রয়োজন বোধে বিষ প্রয়োগেও ইনি দ্বিধাগ্রস্থ হবেন না।
জাতকের কর্মোদ্যম প্রচুর। কঠোর পরিশ্রমী ও কষ্টসহিষ্ণু হয়েও যে কাজে নিজের বর্তমান বা ভবিষ্যতে কোন লাভের আশা নেই, এমন কাজে মনোনিবেশ করবেন না। এতে যদি নিষ্কর্মা বা নিষ্ক্রিয়ভাবে বসে থাকতে হয়, তাও ভাল। নিজের মনেভাব গোপন রেখে ইনি সর্বদা তৎপর হবেন কি করে অন্যের গুপ্ত রহস্য উদঘাটন করা যায়, যতকাল তা না পারবেন, ততক্ষণ কোন কিছুইে শান্তি বা স্বস্তি পাবেন না। নিজেকে সব সময়েই বড় বলে ধারণা করার প্রবল পক্ষপাতী ইনি হবেন। ইনি অশিক্ষিত হলে আরও বেশী বিপদ, একে মনসা, তায় ধুনার গন্ধ। শিক্ষিত হলেও কোন ক্ষেত্রে স্বীয় ভূল ভাষণ, ভূল কর্ম ও অশিষ্টচরণ বাইরে প্রকাশ পাবে, ফলে দুর্নাম লাভের যোগ পরিলক্ষিত হয়। মূল্যবান আসবাবপত্রের যোগ দিকেই জাতকের আকর্ষণ সমধিক। স্বীয় বসন –ভূষণ, আসবাবপত্র অপেক্ষাকৃত বেশী মূল্যের ব্যবহারে সচেষ্ট হবেন এবং তা লোকসমক্ষে ব্যক্ত করে বাহবা পেতে আশা করবেন। জাতকের স্বীয় রুচি অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে, নতুবা পরে অনুতাপানলে দগ্ধীভূত হতে হবে।
জাতক স্বীয় মতে বিশ্বাসী। ইনি নিজে যেটাকে ভাল মনে করবেন, সেই কাজেই কঠোর পরিশ্রম করে উন্নত হবার চেষ্টা করবেন; এতে অন্যের কোন পরামর্শ গ্রাহ্যই করবেন না। অনেক ক্ষেত্রে অন্যের পরামর্শ স্বীয় উগ্রবাক্যে উড়িয়ে দিতে সচেষ্ট হবেন। এই গোঁড়ামির ভাব পরিত্যাগ করে স্বীয় চারিত্রিক দোষ-ত্র“টিকে যথাবিহিত সংশোধন করে নিতে হবে। সুযুক্তি বা সৎপরামর্শ তা যে কেউই দিক না কেন, গ্রহণ করতে আপত্তি কোথায়? জাতককে পরামর্শ দিচ্ছি, আপনি সতর্ক হোউন। একগুঁয়েমি পরিহার করুন, বাক্য-ব্যবহারে অন্যকে পীড়া দেওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন, স্বীয় উদ্দেশ্য যাতে বিপথগামী না হয়; তৎপ্রতি লক্ষ্য রাখুন, নয়তো সুনাম অর্জন ও প্রসিদ্ধিলাভ নিশ্চিতই বিঘিœত হবে। জাতকের কল্পনা শক্তি প্রবল,তবে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যহীন চিন্তাস্রোত কখনও সীমাবদ্ধ কুচক্রের সৃষ্টি বা একটা বদ্ধমূল ধারণার সৃষ্টিকরে জাগতিক অশান্তি ওঅবনতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এ সব বিষয়ে মনোনিবেশ করবেন, তাতেই মেতে পারিপাশ্বিক অন্যসব ভূলে যাবেন। তবে সঙ্গ ও পারিপাশ্বিকতার প্রভাবে এটা সৎপথে পরিচালিত হলে শ্রেষ্ঠত্ব ও পূর্ণতা লাভ অসম্ভব নয়।
৪# কর্মদক্ষতা ঃ
কর্মজীবনে সুপরামর্শদাতা অনেক সাহায্যকারী জুটবে। কর্মোন্নতি যোগ প্রবল, তবে মাঝে মাঝে এক –আধটু বিঘœ আসবে। তাতে বিচলিত না হয়ে অধ্যবসায়সহকারে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। শত্র“পক্ষ ষড়যন্ত্র করে কর্মক্ষেত্রে বিঘিœত ও লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করবে, কিন্তু জাতক সৎ ব্যক্তির সাহায্যে ও স্বীয় প্রচেষ্টায় শত্র“পক্ষের যাবতীয় ষঢ়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। কর্মোন্নতি ও প্রতিষ্ঠালাভ হলেও জীবনে দু’একবার পদঙ্খলন ঘটবে। সর্তক হন। শেষ জীবন কষ্টদায়ক হতে পারে, বিবিধ অশুভযোগ জীবনের শেষাংশে বিদ্যমান। সর্বাবিধ কঠিন ও তীক্ষèবুদ্ধির কাজে জাতকের প্রবণতা থাকবে। কোনরূপ গোপনীয় কর্মে প্রবৃত্ত হয়ে স্বীয় কৃতিত্বে যশলাভের যোগ বর্তমান। কল-কারখানা পরিচালন, পুলিশ, যুদ্ধবিভাগ, রাসায়নিক কর্ম ইত্যাদিতে সম্যক যোগ্যতা পরিলক্ষিত হবে। সব ধরনের ঝঞ্ঝাটপূর্ণ কাজ এবং যেসব কাজে দূরদেশে অথবা দুর্গম স্থানে পর্যটন প্রয়োজন, তাতেও ইনি যোগ্যতার পরিচয় দেবেন। ভদ্রাভদ্র বহু কর্মীজনসংশ্লিষ্ট, কল-কারখানা, দুঃসাহসিক অভিযান, খনি ইত্যাদির কাজ, প্রতœতত্ত্ব বিভাগ, ইন্সিউরেন্সের কাজ, চিকিৎসা, অস্ত্র-চিকিৎসা ইত্যাদির যে কোন একটা পেশা হলে উন্নত হতে পারবেন।
৫# কর্মক্ষেত্র
৬# ভাগ্য ঃ
অর্থকড়ি উপার্জনরে ব্যাপারে আত্মীয়-স্বজনের সাহায্য-সহযোগীতা পাবার আশা বাতুলতা মাত্র। জীবনের প্রথম দিকে অর্থোপার্জনের প্রয়োজনে ভালমন্দ, ন্যায় অন্যায়, উচু-নীচ, নিন্দাহ যে কোন উপায়েই হোক, অর্থ আয়েই তার আকাঙ্খা হবে সাংসারিক ব্যয় বাহুল্য সঞ্চয়ের প্রতি বিঘœ সৃষ্টি করবে।
পারিবারিক ব্যয়ে সংযত হতে পারলে সঞ্চয় করতে পারবেন কিছুটা। জীবনের শেষভাগ অপেক্ষাকৃত উজ্জল। গুপ্ত কর্মে অন্যের সাহায্য-সহযোগীতায় আকস্মিকভাবে একসঙ্গে কিছু অর্থপ্রাপ্তি যোগ বর্তমান। কোন অন্তজজনের থেকে হঠাৎ কিছু অর্থপ্রাপ্তির যোগও বর্তমান। ভূম্যাদিব্যাপারে শুভফল আশা করতে পারেন। ভ্রাতৃতভাব ততটা ভাল নয়।
৭# পরিণয় ঃ
যেসব জাতক-জাতিকার জন্মতিথি যে-কোন মাসের শুক্লা তৃতীয়া বা কৃষ্ণা দশমী অথবা জন্মমাস জৈষ্ঠ্য, শ্রাবণ, অগ্রহায়ণ বা চৈত্র, তাদের সঙ্গে বিবাহ হলে দাম্পত্য জীবন সুখকর হতে পারবে। পুরুষের পক্ষে বৃশ্চিক শুভ নয়। বিবাহাদির ব্যাপারে কিছু অর্থপ্রাপ্তি যোগ বর্তমান। বিবাহের পর ভাগ্যোন্নতি ও খ্যাতি লাভের আশা করা যায়। জাতক স্ত্রৈণ হলেও বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে প্রেরণা শক্তি কমে আসায় ঔদাসীন্য দেখা দেবে স্ত্রীর প্রতি। কর্তৃত্ব করার আকাঙ্খা ও উচ্চাশা দাম্পত্য জীবনকে বিঘিœত করবে, এ বিষয়ে সর্তক হউন।
৮# পরিবার ঃ
জন্মের অব্যবহিত পূর্বে বা পরে পিতার সাংসারিক ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য বিপর্যয় ঘটার সমূহ সম্ভাবনা। শৈশবে পিতা বা মাতা যে কোন একজনের মৃত্যুযোগ বর্তমান। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়াদির দ্বারা কর্মজীবনে কোনরূপ সাহায্যের আশা নেই। সন্তানাদি যোগ প্রবল। তন্মধ্যে দু’একটি সৎ ও গুণবান হবে। পক্ষান্তরে, কোন একটির জন্য সাংসারিক অশান্তি ও অপবাদগ্রস্থ হবার যোগ দেখা যায়। সন্তান-সন্ততি ও পরিবারবর্গের জন্য ব্যয়বাহুল্য হবে। কোন পুত্র-কন্যার বিবাহে কোন সুখকর বা দুঃখজনক বিচিত্র ঘটনা সংঘটিত হওয়া অসম্ভব নয়। পারিবারিক আবহাওয়া সর্বদা অনুকুলে রাখতে সচেষ্ট হবেন এবং সন্তানাদির সুশিক্ষার ব্যবস্থা করবেন।
৯# স্বাস্থ্য ঃ
শৈশবে মাঝে মাঝে দৈহিক রোগ হবার সম্ভাবনা প্রবল। শৈশবে দুর্বলতাও থাকতে পারে । বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রোগপীড়া দূরীভূত হবে। স্বাস্থ্য ও শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং জাতক পরিশ্রমী ও কষ্টসহিষ্ণু হবেন। উপরন্তু অপেক্ষাকৃত বেশী বয়স পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকতে পারবেন। ইনি কখনও বেশি পরিশ্রমেও ক্লান্তি অনুভব করবেন না, কিন্তু অনিয়মও সুশৃঙ্খলতার জন্য কোনরূপ দুরারোগ্য জটিল রোগ গ্রস্থ হতে পারেন।্ এমনকি অঙ্গ-বৈকল্যও উপস্থিত হতে পারে। শিরপীড়া ,মেদবাহুল্য অথবা গুহ্যদেশ-সংক্রান্ত পীড়ার সমধিক সম্ভাবনা। সংযমী হওয়া, নিয়মিত লঘু ব্যায়াম, নিয়মিত øানাহার স্বাস্থ্যরক্ষায় সবিশেষ প্রয়োজন। খাদ্য বিষয়ে কার্পণ্য করবেন না। দেহ সবল রাখতে হলে নিয়মিত উপাদেয় খাদ্যাদি, যথেষ্ট পুষ্টিকর ফলমূল, তরল পদার্থ হজম শক্তির ন্যুনত বশতঃ অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ অনুচিৎ। মধ্যে মধ্যে এক-আধদিন উপবাস প্রয়োজন। উপযুক্ত আলো-বায়ূতে বসবাস, নিয়মিত সহনশীল ব্যায়াম, শক্তিশালী খাদ্য গ্রহণ, ইন্দ্রিয়াদি ব্যাপারে সংযমী হওয়া এবং যথাসম্ভব নির্জনে বসবাস স্বাস্থ্য রক্ষার একমাত্র উপায়।
১০# প্রণয় ঃ
যে সব জাতক বা জাতিকার জন্মতিথি শুক্লা তৃতীয়া বা কৃষ্ণা দশমী, অথবা জন্মমাস শ্রাবণ, অগ্রহায়ণ ও চৈত্র, এদের সঙ্গে প্রণয় হলে তা অকৃত্রিম হবে। বহু উচ্চ নীচ লোকের সঙ্গেই জাতকের ঘনিষ্ট হবে। বন্ধুবর্গের হিতসাধনে ইনি যথাসাধ্য চেষ্টিত হবেন; তবে ইনি কারও দ্বারা উপকৃত হবেনই না, বরং বিশেষ কারও গুপ্ত শত্র“তাবশতঃ ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। বিশেষ এই, বিদেশী দু’চারজন বন্ধু জাতকের প্রকৃতই হিতাকাঙ্খী হবে।
১১# বিবিধ ঃ
নানারূপ বাধা-বিপত্তি ও নৈসর্গিক উৎপাত এসে জাতকের কর্মজীবন বিঘিœত করবে। তবে দৈবানুগ্রহে ইনি সকল বিপদ থেকে পরিত্রাণ পাবেন। দেশভ্রমণ যোগ বর্তমান। প্রয়োজনে মাঝে মাঝে স্থল ও জলপথে ভ্রমণ হবে। পথে – প্রবাসে আকস্মিক বিপদ বা দুর্ঘটনা-কবলিত হওয়া বিচিত্র নয়। সর্তক থাকবেন। বিদেশ অবস্থানকালে কোন গুপ্ত বিষয়ে জড়িত হয়ে আকস্মিক কিছু অর্থপ্রাপ্তি আছে। প্রকৃত ধর্মচর্চায় ইনি অনুৎসাহিত হবেন। তবে ধর্মের বাহ্যিক আড়ম্বড় ও নামচর্চার জন্য ইনি যথেষ্ট দান-ধ্যান করবেন। ধর্মসভা ই ্যাদির আয়োজন করবেন। ধর্ম-কর্মে প্রকৃত আন্তরিকতার একান্ত অভাব, এই জাতকের চরিত্রে যেমন দেখা যায়,অন্য কারও ক্ষেত্রে তেমন নয়। তবে ইনি যদি কখনও সৎগুরুর দর্শন পান, তার সান্নিধ্যে আসেন, স্বীয় চরিত্র সংশোধন করে আধ্যাতিক পথে চেষ্টিত হন, তবে জগতে আধ্যাতিকতার পরমতম শীর্ষে আরোহণ করতে পারবেন। মুক্তপক্ষ বিহ্গং যেমন দূরাকাশে সতত গমন-সমর্থ, তেমনি ইনিও একবার আলোর স্পর্শ পেলে আর অন্ধকার রাজ্যে ফিরে আসবেন না।
১২# বর্ণ ঃ
নীল রঙ ও নীলরঙের সর্ববিধ রূপান্তর তার আনন্দ ও ভাগ্যবর্ধক। ভগ্নস্বাস্থ্যে উজ্জল নীল রঙ হিতসাধক।

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: