News Updates

Home » ব্লগ » জ্যোতিষ জ্যোতিষ খেলা (বারো রাশির সাধারন ফল: কন্যা রাশি)

কন্যা রাশি ৬
(২২শে আগষ্ট-২২শে সেপ্টেম্বর) [আশ্বিন]
কন্যারাশিতে জন্মগ্রহণ করলে জাতক নির্মল বুদ্ধি সম্পন্ন, সুশীল, লেখ্যবৃত্তিসম্পন্ন, অথবা রচনানিপুণ, কৃশ শরীরসম্পন্ন, ধনবান, মনোহর, নম্র-স্বভাববিশিষ্ট, সুখী, চক্ষুরোগ, ধর্মকর্মে অনুরাগী ও গুরুজনের হিতকারী হয়ে থাকে।
১# রাশি স্বরূপ ঃ
কন্যা রাশি পান্ডুবর্ণ, দ্বিপদ,স্ত্রীজাতি, দ্বিস্বভাব, দক্ষিণ-দিকস্বামী,নিশাবলী, বায়ূপ্রকৃতি, শীতস্বভাব, সমোদয়, পৃথ্বীতত্ত¡, অর্ধশব্দ, ভূমিচারী, বৈশ্যজাতি, রুক্ষগাত্র, অল্পসঙ্গ, ও অল্পপ্রজ, সৌম্যরাশি।
২# কন্যা কেমন ঃ
এই রাশির জাতক/জাতিকা মোটেও সামাজিক প্রাণী নয়। হৈ-হুল্লোড়ের চেয়ে কাজকর্ম বেশী পছন্দ। লোকেদের সাথে মিশে অনেকটা বাধ্য হয়ে। দিবাস্বপ্ন যেমন অপছন্দ তেমনি রাতের তারা গোনা। সে সব সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকে। কোনো কারণ না থাকলেও। অনেকের মতে সে দুশ্চিন্তা করতে ভালোবাসে। এদের শক্তি প্রচন্ড, বেশি সময় পরিশ্রম করতে পারে এবং সহ্যশক্তি এদের আছে। মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখা কিছুটা কঠিন। এরা সিনসিয়া এবং নির্ভরশীলতা চমৎকার সন্দেহ নেই। এরা অভিনয়েও পারদর্শী, ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করতে বললে প্রয়োগ করে থাকে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, খাওয়া-দাওয়া, কাজে কিংবা রোমান্সের ক্ষেত্রে এরা খুব খুঁতখুঁতে। জীবন ও মানুষ সম্পর্কে ধারণা স্বচ্ছ। প্রেমের ক্ষেত্রে কখনোই অন্ধ নয়। অবাস্তব স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করে। স্বপ্নকে যুক্তিতর্কদিয়ে বাধতে নারাজ।
৩# প্রকৃতি ঃ
জাতক কর্মপটু, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সরল, বুদ্ধিমান, গম্ভীর, সু² চিন্তাশীল, সংযমী ও পবিত্রমনা হয়ে থাকেন। দ্বৈতভাব তার চরিত্রে দেখা যায় না। স্বার্থপরতা না তাকলেও প্রতি ক্ষেত্রে প্রতি কার্যে ইনি স্বীয় স্বার্থের প্রতি তীব্র দৃষ্টি রেখে কাজ করবেন। স্বীয় মতে ইনি পরিপূর্ণ বিশ্বসী, অপরের অধীনস্থ হয়ে কাজ করলেও স্বীয় মতের বৈশিষ্ট্য রক্ষা করতে সচেষ্ট হবেন। জাতক সু² বুদ্ধিশীল ও শ্রেষ্ঠ মনীষী, অধ্যয়নাদি বিষয়ে সাহিত্য অপেক্ষা দর্শন বা বিজ্ঞান প্রভৃতিতে ঝোঁক থাকবে অধিক। যুগোপযোগী প্রচলন যে বিষয়ের নেই , তৎপ্রতি তার আগ্রহ থাকবে না। ধীর-স্থির ভাবে কোন চিন্তা না করে ইনি কাজে প্রবৃত্ত হবেন না। স্বীয় কর্তব্যে ঐকান্তিকতা ও মমতাসম্পন্ন হবেন। কোনরূপ বাধা-বিঘœই জাতককে কর্তব্যচ্যুত করতে পারবে না। ইনি সর্বদাই প্রফুল­, কারও প্রতি তার রাগ-দ্বেষ থাকবে না। কারো প্রতি দৈবাৎ রাগান্বিত হলে পরক্ষণেই শান্ত হয়ে যাবেন। অবশ্য ভূলবশতঃ রাগান্বিত হলে পরে ত্র“টি স্বীকার করবেন ও অনুতপ্ত হবেন।
জাতক পবিত্রমনা ও সংযমী। অহেতুক কাজে বা অনর্থক আমোদ-প্রমোদে সময় নষ্ট করা বা কোনরূপ স্বীয় শান্তির অপচেষ্টা তার রুচি বিরুদ্ধ। জাতক কর্মযোগী, কর্মের প্রতিই তার আকর্ষণ প্রবল, জাতক বিশ্বাস করেন “ভক্তি ও জ্ঞানযোগী হওয়া অপেক্ষা নিজেকে কর্মযোগী রূপে পরিচিতি করাতেই তার অকাঙ্খা প্রবল। সংসারে থাকবেন পাঁকাল মাছের মত, বাক চাতুর্যে অন্যকে সহজেই বশীভূত করতে পারবেন অনেকে তার মতালম্বী হবে।
জাতক সরল ও সদ্ভাবসম্পন্ন হলেও প্রয়োজনবোধে কুটনীতি ও কৌশলের চরম প্রয়োগে দ্বিধাগ্রস্থ হবেন না। বাহ্যিক দিক দিয়ে সামাজিকতায় নম্রতা গুণসম্পন্ন হলেও স্বীয় ব্যক্তিত্ব ও অভিলাষ বজায় রাখার আশংকা সর্বদা তার চরিত্রে বিদ্যমান। ফলে তাকে সহজে বুঝে উঠতে পারবে না। নিজকর্মে ইনি বিশ্বাসী,কর্মে যাতে সাফল্য লাভ করতে পারেন এবং শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় দিতে পারেন,
তজন্য ইনি প্রাণপাত করতে চেষ্টিত হবেন।
নিষ্কর্ম্মা বা কর্মহীন অবস্থায় বসে থাকায় জাতকের শারীরিক ও মানসিক দৌর্বল্য আসতে পারে। জাতক স্বীয় উদ্দেশ্যের স্থিরতাই কামনা করেন, কিনতু তার কর্মপদ্ধতি চির প্রথানুযায়ী রাখতে চাইবেন না। ইনি চাইবেন, যুগোপযোগী প্রকারভেদে কর্মপরিচালন ও সম্পাদন করতে। বাইরের দিক – থেকে তাকে চঞ্চল প্রতিপন্ন হলেও ইন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মনোনীত কর্তব্য থেকে কখনও বিচ্যুত করা যাবে না। জাতক মিথ্যা –প্রবঞ্চনা, ছল-চাতুরী, শঠতার পরিপন্থী, কাজকর্মে বা অন্য কোন কোন বিষয়ে কারও ত্র“টি পেলে আদৌ সহ্য করবেন না, নির্মমতার সঙ্গে কঠোরভাবে তৎসমুদয় দমন করার চেষ্টা করবেন । পারিপার্শ্বিক অন্য সবার সঙ্গে তার ব্যবহার অতীব নম্র ও সামাজিক। কাজেই তার চরিত্রে কঠোরতা ও কোমলতার অপূর্ব সমাবেশ দেখা যাবে। জাতক সৎ স্বভাবাপন্ন, সাধু প্রকৃতির, আদান-প্রদান বিষয়ে সরল ভাবের পরিচয় পরিচয় দিবেন। ইনি খুব হিসেবী, নিজের বা অন্যের পাওনা দেনার ব্যাপারে সবকিছু পরিষ্কার রাখতে আগ্রহী হবেন।
মনোবৃত্তি ও কর্মধারার মধ্যে ইনি সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলবেন । কখনই সঙ্কল্পচ্যুত হবেন না। ইনি আত্মপ্রতিষ্ঠ, নিজ চিন্তিত বিষয় বা কর্মপ্রণলীকে ইনি শ্রেষ্ঠ মনে করবেন। পক্ষান্তরে সময়ে এমনও হতে পারে, বৃহৎকর্মকে ক্ষুদ্র এবং ধারণা করে কাজ অসাফল্যর জন্য পরে মনস্তাপ ভোগ করতে পারেন। অপরের সঙ্গে মিলে-মিশে কাজ করাতেই তার আনন্দ, তবে স্বীয় মতের রিুদ্ধাচারী হলে অতি সহজেই তা পরিত্যাগ করে চলে আসবেন। তীক্ষ বুদ্ধিশালী হলেও অনেক বৈষয়িক ব্যাপারে ইনি খেয়ালবশতঃ সুক্ষè বিষয় বর্জন করে স্থুল কর্মে আকৃষ্ট হয়ে পড়বেন এতদসত্তে¡ও রাজকার্যে বা ব্যবসায়ে ইনি যথেষ্ট কৃতিত্তে¡র পরিচয় দিয়ে খ্যাতি লাভ করবেন।
নিয়ম ও শৃঙ্খলার বশীভূত হয়ে কাজ করাতেই জাতকের আনন্দ সমধিক। বস্তুতঃ জাতক কর্মী, কর্মই তার জীবনের শেষ্ঠ সাধনা। সময়োপযোগী সতর্কতার সঙ্গে যুগোপযোগী কর্ম সম্পাদনেই তার ব্যক্তির যথেষ্ট স্ফুরণ হবে।
৪# কর্মদক্ষতা ঃ
স্বীয় অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের উপরই কর্মজীবনের নিশ্চিত সাফল্য। কার্যক্ষেত্রে কোনরূপ বিপজ্জনক অবস্থায় পতিত হয়ে জীবন বিপন্ন হওয়া বিচিত্র নয়। স্বাস্থ্য ভগ্ন হতে পারে। তবুও পরিশ্রমসহকারে কর্মসম্পাদন করবেন। ফলে যথেষ্ট উন্নতি ও সাফল্য লাভ তার জীবনে অসম্ভব নয়। ধৈর্যসহকারে কার্যপরিচালনা করতে হবে। কাজ মাত্রই কখনও ভাল , কখনও মন্দ ভাবে চলে, তাতে উৎফুল­ বা হতাশ হবার প্রয়োজন নেই। কোন কাজে । পরের সাহায্য বাতুলতা মাত্র। কোন বিদেশী বিভিন্ন ধর্মালম্বী ব্যক্তিবিশেষ স্বার্থপ্রণোদিত হয়ে কোন বিষয়ে জাতককে সাহায্য করতে । আগ্রহী হবেন। জাতক সর্তক হবেন, এর প্রতি নির্ভর করলে স্বীয় অবনতিকেই টেনে আনবেন। সর্বদা মনে রাখতে হবে, স্বীয় চেষ্টায় ইনি উন্নত ও প্রসিদ্ধ হতে পারবেন। জনবহুল স্থানে জন-পরিচালনে যে সব কর্মসম্পাদন প্রয়োজন, সে সব কাজেই জাতকের সমধিক যোগ্যতার পরিচয় পাওয়া যবে এবং সুচারুভাবে কর্মস্পাদন করে যশস্বী হতে পারবেন। স্বকীয় গুণবৈশিষ্টের জন্য জগতের অনেকেই তার বশীভূত হবে। কঠোর পরিশ্রমের উপরই সবকিছু নির্ভর করছে। ফলের প্রতি নিরাসক্ত হয়ে কর্মসম্পদন করে গেলেই সাফল্য অনিবার্য হবে এবং সুচারুভাবে কর্মসম্পাদন করে যশস্বী হতে পারবে। স্বকীয় গুণবৈশিষ্টের জন্য জগতের অনেকেই তার বশীভূত হবে। কঠোর পরিশ্রমের উপরই সবকিছু নির্ভর করছে। ফলের প্রতি নিরাসক্ত হয়ে কর্মসম্পাদন করে গেলেই সাফল্য অনিবার্য হবে এবং মানসিক প্রফুল­তাও আসবে। চিকিৎসা, আইন, সাহিত্য, সঙ্গীত, নাট্য পরিচালনা, অভিনয় শিল্প, বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ে জাতক সম্যক যেগ্যতার পরিচয় দেবেন।
৫# কর্মক্ষেত্র ঃ
সচিব পর্যায়ের কাজে এরা সবচেয়ে দক্ষ হয়ে থাকে। সাংগঠনিক ক্ষমতা, সূচারুভাবে কোনকিছু করা এদের প্রধান গুণ। ফলে বিজ্ঞান বিষয়ক যেকোনো কাজে এরা পারদর্শী হয়ে থাকে শিক্ষক হিসাবে বিশেষত অংক সম্পর্কিত বিষয়ে এরা সুনাম অর্জন করে। কর্মক্ষেত্রে উত্থান পতন হতেই পারে তাই বলে ঘন ঘন পেশা পরিবর্তন উচিত নয়। কারিগরি কাজেও দক্ষ।
৬# ভাগ্য ঃ
জীবনের প্রথমভাগে আয় সক্রান্ত ব্যাপারে নানারূপ বাধা-বিপত্তির সৃষ্টি হবে। ভগ্নোদ্যম না হয়ে নিরন্তর পরিশ্রম করে অর্থোপার্জন করতে চেষ্টিত হবেন। অবশ্য জাতক খুব সর্তক ও হিসেবী হবেন। অর্থোপার্জনের জন্য দেশ ভ্রমনের আবশ্যকতা পরিলক্ষিত হয়। ভ্রমণকালে কিছু অর্থপ্রপ্তি যোগ বিদ্যমান । সরকার সংশ্লিষ্ট কোন উচ্চ চাকরি, কন্ট্রাক্টরী, দালালী, সাধারণ সংশ্লিষ্ট কোন কাজে বুদ্ধি নৈপুণ্যে জীবনের শেষভাগে প্রচুর অর্থপ্রাপ্তি যোগ। নিজ বুদ্ধিভ্রমে কিছু অর্থক্ষতি হবে। উত্তরাধিকারীসূত্রে কিছু ধ¯ম্পত্তি ও জমিজমা পাবেন, তবে এতে যথেষ্ট ঝঞ্ঝাট পোয়াতে হবে। সর্বোপরি ভাগ্য মধ্যম ধরনের বলা যায়।
৭# পরিণয় ঃ
জৈষ্ঠ,আশ্বিন, অগ্রহায়ণ বা মাঘ মাসে জাত এবং কৃষ্ণাষ্টমী, শুক্লা প্রতিপদ তিথিজাত মেয়ে বা পুরুষের সঙ্গে বিবাহ হলে দাম্পত্যজীবন সুখকর হবে। বিবাহ বিষয়ে কোনরূপ অপবাদগ্রস্থ হতে হবেই। দম্পতি – যুগলর ভাবান্তরহেতু সময়ে সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকাও পরিলক্ষিত হয়। কর্মশক্তি বা সাংসারিক কোন গুপ্ত ব্যাপারে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি দেখা দিতে পরে। সব দিকে তীক্ষè দৃষ্টি রেখে সরলভাবে জীবনযাপন করা সুখের কারণ হবে।
৮# পরিবার ঃ
ঘনিষ্ঠ সম্পর্কীয় কোন আত্মীয়ের জন্য সাংসারিক অশান্তি ও যথেষ্ট অর্থব্যয়ের যোগ বর্তমান । সুখের সর্ববিধ কারণ বর্তমান সত্তে¡ও অশান্তি এসে উপদ্রব করতে পারে। ভূম্যাদি, গৃহবিষয়ক কাজকর্মে মাঝে মাঝে অসুবিধা ভৈাগ করতে হবে। সহোদর-ভ্রাতা-ভগ্নীর সংখ্যা অধিক হলেও তাদের দ্বারা সুখ-শান্তির সম্ভবনা কম, এমনকি সময়ে সহোদর-ভ্রাতা-ভগ্নীর ব্যাপারে অপবাদগ্রস্থ হতে হবে। এদের জন্য প্রচুর অর্থ ক্ষতি ও অশান্তি হবে। দূর বা নিকটাআত্মিয়ের নিকট থেকে ক্ষতির সম্ভাবনা সমধিক, পারিবারিক অন্যান্য সুখ-শান্তি মধ্যম প্রকারের। পবিত্রমনে উদারতার সঙ্গে চললে সুখ-সাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন সম্ভব।
৯# স্বাস্থ্য ঃ
শৈশবে বিবিধ রোগভোগের কারণ বর্তমান। পাকস্থলী ও পরিপাকযন্ত্র দুর্বল থাকবে। যকৃত ও প্লীহার ক্রিয়াও স্বাভাবিক নয়। পায়ের গ্রন্থিবেদনা, অজীর্ণ, অ¤ø, আমাশয়, অন্ত্রক্ষত প্রভৃতি রোগাক্রমণের আশঙ্কা বিদ্যমান। শক্তিবর্ধক ও লঘুপাচ্য দ্রব্যাদি আহার বাঞ্ছনীয়। ঝাল-মশলা কম খাওয়া প্রয়োজন। উপযুক্ত ভিটামিনের অভাবে দুষিত পদার্থ শরীর থেকে নিষ্ক্রান্ত না হওয়া না হওয়াই রোগের কারণ। কম জল পান করা, ভিটামিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ অবশ্য কর্তব্য, যাবতীয় মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ। মুক্তবায়ূতে বসবাস, নিয়মিত আহার-বিহার, লঘু ব্যায়াম হিতকর।
১০# প্রণয় ঃ
জৈষ্ঠ্য, আশ্বিন বা মাঘ মাসে জাত মেয়ে বা পুরুষ অথবা যে কোন মাসের কৃষ্ণষ্টমী বা শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে যার জন্ম এমন ¯ত্রী-পুরুষের সঙ্গে অকৃত্রিম বন্ধুত্ব হবে। তবে এ ব্যাপারে অনেক ক্ষেত্রে মনঃকষ্ট পেতে হবে। অকৃত্রিম মিত্রযোগ একমাত্র দৈবের উপর নির্ভরশীল। বহু অনুচর থাকবে এবং তারা ভালও বাসবে। ধনী বণিক শ্রেণী মৌখিকভাবে জাতকের সঙ্গে বন্ধুত্বের ভান করবে,কিন্তু গুপ্তভাবে ক্ষতির চেষ্টা করবে। গুপ্ত শত্র“ এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করবেন। কোনরূপ প্রলোভন বাক্যে ভুলে বিপদগ্রস্থ হবার সুপষ্ট সম্ভাবনা।
১১# বিবিধ ঃ
দেশভ্রমণ যোগ বহুবার । গোপনীয় অথচ দায়িত্ব কর্মের ব্যাপারে বেশ কয়েকবার দূরদেশভ্রমণ করতে হবে। বিদেশে অবস্থানকালীন আত্মপ্রতিষ্ঠায় কোন বিপজ্জনক কাজে হাত দেওয়াও বিচিত্র নয়।
১২# বর্ণ ঃ
পিঙ্গল অর্থাৎ কমলালেবুর রঙ, ধূসর, রূপালী, পালিশ করা যাবতীয় উজ্জল রঙ তৃপ্তিদায়ক ও ভাগ্যবর্ধক। ভগ্নস্বাস্থ্যে বেগুনী রঙ হিতকরী।
১৩# মীন (বুধ) রাশি লক্ষণ ঃ
*স্ত্রীভাবাপন্ন, সদ্যবিবাহিত বালিকাবধুর সঙ্গে তুলনীয়।
তমোগুণের কারক। সঙ্গীত ও নৃত্যে দক্ষ। রসিক, আমুদে, প্রিয়ভাষী, বিনয়ী, ভোগী, ধার্মিক, রমণী মনোরঞ্জনকারী। কার্যদক্ষ।
১৪# মীন (বুধ) রাশি কি চায় ঃ
ধীশক্তি, বাকশক্তি, বুদ্ধিবৃত্তি এবং কর্মকুশলতা বুধের লক্ষণ। বুধ ছোট গ্রহ, জ্যোতিষে তার পরিচয় বালকোচিত গ্রহ বলে। তাই বুধের প্রভাব যেমন জাতকের বাকশক্তিকে দৃঢ় করে (রাজনীতকদের যেমন করে), তেমনই বাক্যে চাপল্য আনে, তখন তারস্বভাবে আসে বাজে বকার প্রবণতা, প্রগলভতা।
১৫# মীন রাশির (বৃহস্পতি) জন্মকথা (গ্রীক) ঃ
দেবতা এপোলোর প্রেমিকা সুন্দরী মানবী করোনিস। এপোলো অমর আর করোনিস মানব সন্তান তাই মরণশীল। করোনিস চিন্তা করে সে যখন বৃদ্ধা হবে এবং তার রূপ যৌবন নষ্ট হবে তখন এপোলো তাকে ছুড়ে ফেলে দেবে। তাই সুন্দরী কুমারী করোনিস একজন মানব সন্তানের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী হয় যে তার সঙ্গে সঙ্গেই বৃদ্ধ হবে এবং তাকে হীনমন্যতায় ভুগতে হবে না। সে ভালবাসে ইকচিক নামে এক মানব সন্তানকে। দেবতার ভালোবসায় অপমান! খেপে যায় এপোলো। একটি তীর নিক্ষেপ করে করোনিসকে হত্যা করে। করোনিস তখোন অন্তঃসত্ত¡া ছিল। তার দাফনের সময় তার সন্তানকে গর্ভ থেকে বের করে আনে সাধু-সন্নাসীরা এবং লালান পালন করে। নাম রাখা হয় কিরণ। এই কিরণ তৎকালীন মানুষের দুঃখ বিনাশকারী হিসেবে অবতীর্ণ হয়। তার কুমারী মা হয় মহাবিশ্বের কন্যা রাশি।
১৬# রতœ ঃ
অ্যাম্বার, গোল্ডষ্টোন, গোমেদ প্রভৃতি রতœ রোগপীড়া হানিকর।
৩০# বৈশিষ্ট্য ঃ
সঠিক, সুশৃঙ্খল, পরিশ্রমী, পার্থক্য নির্ণয়ে সক্ষম, ধীমান, সৎ।
৩২# কন্যা (বুধ) খাদ্য ঃ
৩৩# কন্যা (বুধ) ব্যাধি ঃ
পেটের ¯œায়ুতন্ত্র,এদের সবচেয়ে দুর্বল অঙ্গ।
৩৪# কন্যা (বুধ) ঔষধি ঃ
৩৬# কন্যা (বুধ) হোমিও/বায়োকেমিক ঃ
৩৮# কন্যার গুণ ঃ
মানসিক শক্তি এদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। সমস্যা যত জটিল হো না কেন কন্যা তালগোল পাকিয়ে নেয় না এবং ঠান্ডা মাথায় তার সমাধান করতে পারে, যা কন্যার সবচেয়ে বড় গুণ। কন্যার আরেকটি সম্পদ হচ্ছে চোখ ও মনের দূরদর্শী ক্ষমতা। এরা আগেই অনেক কিছু বুঝতে পারে এবং এরা যা কল্পনা করে তার অধিকাংশ ফলে যায়। যার ফলে দ্রæত পদক্ষেপ নেয়। কথা দিয়ে কথা রাখে অন্যথা করে না। দুর্দশায় ব্যথিত হয়, সাধ্যমত সহযোগিতা করে। এরা পরিচ্ছন্ন কথায় ও কাজে।

৩৯# কন্যার দোষ ঃ
এরা তিলকে তাল বানানোর কাজে উত্তম। সহজ কাজকে আলসেমী করে কঠিন করে ফেলে ফলে পরবর্তীতে বীষণ ¯œাযূচাপে ভোগে। বাড়তী পরিচ্ছন্নতা বোধ অনেক সময় অন্যের বিরক্তি ও অসুবিধার কারণ হয়ে দাড়ায়। ¯œায়ূচাপজনিত কারণে এদের হার্ট খুব ঝুঁকিপূর্ণ। নিত্যনতুন অসুখ-বিসুখ লেগেই থাকে। যে কোন অসুখ শুরুতে হেলা ফেলা করে বিধায় পরবর্তীতে হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। সন্দেহবাতিক ও খুঁত ধরায় এরা ওস্তাদ।

৪১# উপদেশ ঃ
আলস্য পরিত্যাগ করুন। কাজটা একটু কঠিন। কাজ জটিল হওয়ার আগেই সমাধানে আগ্রহী হোন। শরীরের প্রতি বিশেষ যতœ নিন। শেষ বয়সের কঠিন অসুখ থেকে রক্ষা পেতে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে পুষ্টি নিয়ে কিছুটা মাথা ঘামান। বুকের সমস্যার প্রতি সজাগ থাকুন, কন্যারা বুকের সমস্যায় বেশি ভোগে। কল্পনা নয় কাজে মনোযোগী হোন।

Leave a Reply

Categories

%d bloggers like this: